এতে কর্মহীন হয়ে পড়বেন ২ লাখের অধিক জেলে। তবে সরকারি সহায়তা হিসেবে নিবন্ধিত জেলেদের দেওয়া হবে ২৫ কেজি করে চাল। তবে জেলেদের দাবি, এই সহায়তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
জেলে ও মৎস্যজীবিরা জানান, চলতি মৌসুম ভালো কাটেনি ভোলার জেলেদের। তবে মৌসুমেও শেষ সময়ে এসে জেলেদের জালে ইলিশ ধরা পড়লেও চলে এসেছে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা। ইলিশের প্রজনন মৌসুমে নিরাপদ প্রজনন ও মা ইলিশ সংরক্ষণের লক্ষে জারি করা ২২ দিনে এ নিষেধাজ্ঞার খবরে চরম অভাব অনাটন আর অনিশ্চয়তা পড়েছেন জেলেরা।
জেলে সফু ও বশির মাঝি বলেন, মাছ ধরা বন্ধ থাকবে, তবে দ্রুতই যেন জেলেদের নামে বরাদ্দকৃত খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়।
এদিকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জেলেরা যাতে মাছ শিকার করতে না পারে সেজন্য নদীতে কঠোর অভিযান পরিচালিত হবে বলে জানায় মৎস্যবিভাগ।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, ৮ তারিখ থেকে নিবন্ধিত সব জেলে চাল পাবেন।
তবে জানা গেছে, ভোলায় এক লাখ ৬৮ হাজার নিবন্ধিত জেলে থাকলেও বরাদ্দ কম থাকায় নিবন্ধিত হয়েও চাল পাবেন না অন্তত ২৫ হাজার জেলে।