
সুমন ঘরামী // পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের সোনাপুরা গ্রামে বড় ভাইকে না জানিয়ে পৈতৃক বসতঘরের মাঝখান থেকে কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। গত ১ অক্টোবর এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন বড় ভাই মোঃ এনামুল হক দুলাল।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সোনাপুরা গ্রামের মৃত আলী আকবর মিয়া (সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান)-এর দুই ছেলে মোঃ এনামুল হক দুলাল ও মোঃ আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে তাদের বাবার পৈতৃক পুরোনো বসতঘরে একসঙ্গে বসবাস করে আসছিলেন। এনামুল হক দুলাল বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে কর্মরত।
অপরদিকে আবুল কালাম আজাদ বেতাগী উপজেলার চান্দখালী মোশাররফ হোসেন কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত এবং মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি পদে রয়েছেন বলে জানা গেছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১ অক্টোবর বড় ভাই এনামুল হক দুলালকে কোনো ধরনের পূর্ব অবহিতকরণ বা পারিবারিক আলোচনা ছাড়াই আবুল কালাম আজাদ লোকজন নিয়ে ওই পৈতৃক বসতঘরের মাঝখান থেকে কেটে ফেলেন।
এ সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন এনামুল হক দুলাল। ঘটনার খবর লোকমুখে জানতে পেরে বরিশাল থেকে নিজ এলাকায় যান এনামুল হক দুলাল। সেখানে গিয়ে বসতঘরের এমন অবস্থা দেখে তিনি হতবাক ও দিশেহারা হয়ে পড়েন বলে জানান। এ বিষয়ে এনামুল হক দুলাল বলেন, “বাবার পৈতৃক বসতঘরে আমরা দুই ভাই একসঙ্গে বসবাস করে আসছি। আমাকে কোনো কিছু না জানিয়ে বা আলোচনা না করে ঘরের মাঝখান থেকে কেটে ফেলা হয়েছে।
এতে আমি চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় হয়ে পড়েছি। বিষয়টি আইনগতভাবে সমাধানের উদ্যোগ নিচ্ছি।” এ ঘটনায় মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারী। একই সঙ্গে পৈতৃক সম্পত্তি ও বসতঘর নিয়ে বিরোধের শান্তিপূর্ণ ও আইনানুগ সমাধানের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
তবে অভিযোগের বিষয়ে মোঃ আবুল কালাম আজাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।