
আজ শুক্রবার সকালে মৃত সোহাগের পরিবার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে। এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সৌদি আরবে আবহা শহরের বাসা থেকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।
মৃত সোহাগ রানা (৪২) নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের হাফেজ উল্যাহ মিয়ার বাড়ীর বশির উল্যাহর ছেলে। তিনি দুই কন্যা সন্তানের জনক ছিলেন।
মৃত সোহাগের মামাতো ভাই সৌদি প্রবাসী সৈয়দ রিগান জানান, সোহাগ ৭ বছরের বেশি সময় ধরে সৌদিতে আছেন। এর আগে তিনি দুবাইতে ছিলেন। এখানে আসায় পর গত কয়েকমাস তার আকামা ছিল না, পাসপোর্টের মেয়াদও শেষ। কিছুদিন ধরে অনেক চেষ্টা করছিলেন তা নবায়ন করতে। এ নিয়ে হতাশায় ভুগছিলেন সোহাগ।
গত সোমবার (৩১ আগস্ট) থেকে তিনি তার কর্মস্থলের দোকানে যাননি। প্রথম দিন তাকে দোকানে না দেখে অন্য সহকর্মীরা ভেবে ছিলেন তিনি অসুস্থ। দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনও না যাওয়ায় কফিলকে বিষয়টি জানালে তিনি’সহ অন্যরা বাসায় গিয়ে দেখেন ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করা।
পরে অনেক ডাকাডাকির পর ভেতর থেকে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে তারা সোহাগের লাশ রুমে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকদের ধারণা অতিরিক্ত চিন্তা থেকে স্ট্রোকে সোহাগের মৃত্যু হয়েছে। তার লাশ দেশে আনতে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতা কামনা করেছেন তার পরিবার।