সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের অধিকাংশস্থানে পিচ উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ। বৃষ্টিতে এসব গর্তে পানি জমে এবং কাঁদার স্তূপ তৈরি হয়ে যান চলাচল কার্যত অচল হয়ে পরেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছেন অসুস্থ রোগী, সাধারণ পথচারী ও যানবাহনের চালকরা।
এই সড়ক দিয়ে চেংঙ্গুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাংতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চেংঙ্গুটিয়া আলিয়া মাদ্রাসা, ভাংগা মাদ্রাসা, রাংতা মাদ্রাসা, আগৈলঝাড়া সরকারি কলেজ ও সরকারি গৌরনদী কলেজের শিক্ষার্থীরা চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন। একইসাথে আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী উপজেলা সদরে যাতায়াতে পাঁচ গ্রামের মানুষের ঝুঁকিপূর্ণ এই সড়কটি ব্যবহার করতে হচ্ছে।
চেংঙ্গুটিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক শিলিল সুলতানা বলেন, শিশু শিক্ষার্থীদের এই রাস্তায় চলাচলে অসুবিধা হয়। শিক্ষার্থীরা হোঁচট খেয়ে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনার স্বীকার হয়।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রতিদিনই এ সড়কে ছোট-বড় দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে। ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও ভ্যান প্রায়ই খাদে পরে উল্টে যায়। এতে করে আহত হচ্ছেন যাত্রীরা। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে এ সড়কটি।
চেংঙ্গুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা তারিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, এই সড়ক দিয়ে অন্তত পাঁচটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ চলাচল করে। বর্ষা মৌসুমে এ সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচলতো দূরের কথা পায়ে হাঁটাও কঠিন হয়ে পরে। অনেক সময় কাঁদা মাড়িয়ে বাজারে গিয়ে তবেই যানবাহনে উঠতে হয়।