1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
আফ্রিকায় নতুন ভাইরাস মারবুর্গের প্রাদুর্ভাব, আক্রান্ত ৯ - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ন

আফ্রিকায় নতুন ভাইরাস মারবুর্গের প্রাদুর্ভাব, আক্রান্ত ৯

  • প্রকাশিত :প্রকাশিত : শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৪৭ 0 বার সংবাদি দেখেছে
26

ইথিওপিয়া দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে মারবার্গ ভাইরাসের প্রথম প্রাদুর্ভাব নিশ্চিত করেছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে, ইথিওপিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পরিস্থিতি সামলাচ্ছে।

শুক্রবার এক পোস্টে ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস লেখেন, ‘এই দ্রুত পদক্ষেপ দেশটির প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে দৃঢ় প্রতিশ্রুতির প্রমাণ।

এর আগের দিন ডব্লিউএইচও জানিয়েছিল, ইথিওপিয়ার কর্তৃপক্ষ অজানা ‘ভাইরাল হেমোরেজিক জ্বর’-এর সন্দেহজনক মামলার তদন্ত শুরু করেছে।

মারবার্গ কী?

মারবার্গ ভাইরাস ইবোলার মতো একই ফাইলোভিরিডি পরিবারের সদস্য। তবে এটি অনেক মারাত্মক হতে পারে। মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) একে ‘দুর্লভ কিন্তু অত্যন্ত গুরুতর’ রোগ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিডিসি জানায়, মারবুর্গ একটি ‘দুর্লভ কিন্তু মারাত্মক’ হেমোরেজিক জ্বর। এটি অনেক সময় প্রাণঘাতী হয়। ভাইরাসটি প্রথম আসে মিসরের ফলখেকো বাদুড় থেকে। একজন আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তরল বা সেই তরলে দূষিত বস্তু, যেমন জামাকাপড় বা বিছানার চাদর ছুঁলেই এটি ছড়াতে পারে।

রোগের উপসর্গের মধ্যে জ্বর, চামড়ায় র‍্যাশ এবং তীব্র রক্তক্ষরণ দেখা যায়।

সিডিসি আরো জানায়, মারবুর্গের কোনো নির্দিষ্ট ওষুধ বা টিকা নেই। চিকিৎসা সীমিত সহায়তামূলক পরিচর্যা, বিশ্রাম এবং শরীরে পানি ধরে রাখার ওপর নির্ভর করে।

ইথিওপিয়ার দক্ষিণের ওমো অঞ্চলে এই প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, যা দক্ষিণ সুদানের সীমান্তবর্তী এলাকা। আফ্রিকা সিডিসির মহাপরিচালক জ্যঁ কাসেয়া সতর্ক করে বলেন, ‘দক্ষিণ সুদান খুব দূরে নয় এবং দেশটির স্বাস্থ্যব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আফ্রিকার অন্য কোনো দেশে মারবার্গ আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়নি।

ডব্লিউএইচও প্রধান টেড্রোস জানিয়েছেন, জাতিসংঘের সংস্থা ইথিওপিয়াকে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করছে:সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, আক্রান্তদের চিকিৎসা এবং সীমান্ত পেরিয়ে রোগ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে।

ইথিওপিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিচ্ছিন্ন করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সম্ভাব্য সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে। পাশাপাশি সম্প্রদায়ভিত্তিক স্ক্রিনিং ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রচারণাও চালানো হচ্ছে। মন্ত্রণালয় জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করতে এবং কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে আহ্বান জানিয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews