
এটি প্রিটোরিয়াসের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি। তার আগে পুরুষদের টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডটি ছিল গেইলের দখলে। ২০১৩ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে তৎকালীন পুনে ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে অপরাজিত ১৭৫ রান করেছিলেন গেইল। সেই রেকর্ড এবার ছাড়িয়ে গেলেন প্রিটোরিয়াস।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন বাঁহাতি এই উদ্বোধনী ব্যাটার। মাত্র ২৪ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন তিনি। এরপর আরও ১৬ বল খেলেই পৌঁছে যান শতরানে। ৫৮ বলে ১৫০ রান পূর্ণ করেন প্রিটোরিয়াস।
৭৯ বলের ইনিংসে ১৩টি ছক্কা ও ১৫টি চার মারেন তিনি। নাইটসের কোনো বোলারই তাকে থামাতে পারেননি। দলের সব বোলারের রান দেওয়ার হার ছিল ১১ বা তার বেশি।
প্রিটোরিয়াসের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে টাইটানস ৩ উইকেটে ২৬৭ রান সংগ্রহ করে। প্রতিযোগিতার ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। এর আগে ২০২২ সালে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ৩ উইকেটে ২৭১ রান করেছিল টাইটানস।
সেই ম্যাচেই সিএসএ টি-টোয়েন্টি চ্যালেঞ্জে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েছিলেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। তার ১৬২ রানের ইনিংস এতদিন প্রতিযোগিতাটির সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ ছিল। এবার সেই রেকর্ডও পেছনে ফেললেন প্রিটোরিয়াস। প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সর্বোচ্চ পাঁচটি দলীয় সংগ্রহই এখন টাইটানসের দখলে।
২০২৬-২৭ মৌসুমে এটাই ছিল প্রিটোরিয়াসের প্রথম ম্যাচ। তবে প্রতিযোগিতায় নামার আগে দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন তিনি। সেপ্টেম্বরে জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ার বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজের শেষ দুটি ম্যাচে যথাক্রমে ৯৪ ও ১০১ রান করেছিলেন এই তরুণ ব্যাটার।
সব সংস্করণ মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে এখন পর্যন্ত মাত্র ২২টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন প্রিটোরিয়াস। তবে টি-টোয়েন্টিতে এটি ছিল তার ৯১তম ম্যাচ। এই সংস্করণে তার ব্যাটিংয়ের রান তোলার হার ১৫০.৪৪।