1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
বাংলাদেশে অস্থিরতায় সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার ভারতের - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশে অস্থিরতায় সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার ভারতের

  • প্রকাশিত :প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫৪ 0 বার সংবাদি দেখেছে
90
আন্তর্জাতিক ডেস্ক // ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বাংলাদেশের প্রভাবশালী দুই সংবাদপত্র প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে অগ্নিসংযোগ করেছে উগ্রপন্থীরা। এ ছাড়া ধানমন্ডি ৩২-এ শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি ফের ভাঙচুরসহ নানা জায়গায় হামলা চালানো হয়েছে। বাংলাদেশের এমন অস্থির পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়িয়েছে ভারত।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় আরও কড়া নজরদারি শুরু করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বিশেষ করে ‘চিকেনস নেকে’র সুরক্ষায় কোনো ঘাটতি রাখতে চাচ্ছে না তারা। নিরাপত্তার বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে দীর্ঘ সীমান্ত সংলগ্ন প্রতিটি জনপদ। থার্মাল ক্যামেরা, নাইটভিশন ক্যামেরা, সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের সাহায্যে নজরদারি চালানো হচ্ছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদহ মিলিয়ে ছয় জেলায় প্রায় ১ হাজার ৪০০ কিলোমিটার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত রয়েছে। এরমধ্যে ১৯৫ কিলোমিটার সীমান্তে নদী ও জমির সমস্যার জন্য কাঁটাতারের বেড়া নেই। আবার নদীর পারে কাঁটাতার ফেলা থাকলেও তাতে নিরাপত্তা পুরোপুরি সুনিশ্চিত হয়নি। ওই সব এলাকায় বিএসএফ টহল বাড়ানো হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি সীমান্ত রয়েছে কোচবিহার জেলায়, ৫৫০ কিলোমিটার। এরপর দক্ষিণ দিনাজপুর, ২৫০ কিলোমিটার। উত্তর দিনাজপুরে রয়েছে ২২৭ সীমান্ত। এই বিরাট সীমান্তের দুই দিনাজপুর এবং মালদহের অধীনে থাকা প্রায় ৭০০ কিলোমিটার এবং কোচবিহারের ৫৫০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে ২২ কিলোমিটার প্রশস্ত ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত ‘শিলিগুড়ি করিডোর’ রক্ষায় বাংলাদেশ সীমান্তের পাশে আসামের ধুবড়ি সংলগ্ন বামুনি, বিহারের কিশনগঞ্জ এবং উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া এলাকায় গড়ে ওঠা তিনটি সামরিক ঘাঁটিকে সতর্ক করা হয়েছে। চিকেনস নেক ঘিরে রয়েছে নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ ও চীন। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এলাকাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর থেকে এখানে সামরিক বাহিনীর তৎপরতা বেড়েছে।

এই এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে ভারতীয় সেনার ত্রিশক্তি কর্পস। বৃহস্পতিবার রাত থেকে ওই ইউনিটের তৎপরতা বেড়েছে। অবশ্য আগে থেকেই হাসিমারা বিমান বাহিনী ঘাঁটিতে মোতায়েন রাখা হয়েছে রাফাল যুদ্ধবিমান, বিভিন্ন মিগ ভ্যারিয়েন্ট ও ব্রাহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেখানেও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
আর. এম মিডিয়া লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Theme Customized By BreakingNews