পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, বুধবার দুপুরেও রুকাইয়া ছিল স্বাভাবিক ও হাসিখুশি। জোহরের নামাজ পড়তে যাওয়ার আগে বাবা কামরুল মেয়েকে বাড়িতে সুস্থ অবস্থায় দেখে যান। নামাজ শেষে বাড়িতে ফিরে মেয়ের মৃত্যুর খবর শুনে তিনি হতবাক হয়ে পড়েন।
রুকাইয়ার মামা হাবিবুল্লাহ জানান, দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১টার দিকে পাশের একটি পরিত্যক্ত ঘরের রান্নাঘরে রুকাইয়াকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা। পরে দ্রুত তাকে নিচে নামিয়ে আনা হলেও ততক্ষণে শিশুটির মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে।
মাত্র ৯ বছরের একটি শিশুর এমন মৃত্যুতে এলাকায় শোকের পাশাপাশি সৃষ্টি হয়েছে রহস্য। কীভাবে শিশুটির মৃত্যু হলো? ঘটনাটি আত্মহত্যা, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে—এখন এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।
বানারীপাড়া থানার উপপরিদর্শক আতিয়ার রহমান জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্ত শেষ হওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কোনো মন্তব্য করা যাচ্ছে না।
বানারীপাড়া থানার পরিদর্শক (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যেতে পারে।








