1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
ভুয়া পরোয়ানায় গ্রেপ্তার বন্ধে ডেটাবেইস যাচাইয়ের নির্দেশ হাইকোর্টের - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

ভুয়া পরোয়ানায় গ্রেপ্তার বন্ধে ডেটাবেইস যাচাইয়ের নির্দেশ হাইকোর্টের

  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪৬ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

ভুয়া ওয়ারেন্ট বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও গ্রেপ্তার বন্ধে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এখন থেকে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার আগে ‘সেন্ট্রাল ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ বা কেন্দ্রীয় ডেটাবেইস থেকে এর সত্যতা যাচাই করতে পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

একই সঙ্গে আদালতের এই নির্দেশনা উল্লেখ করে পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) একটি সার্কুলার জারি করতে বলা হয়েছে, যা সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে পাঠানো হবে। আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম ও বিচারপতি মুরাদ-এ-মওলা সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালত অপর এক আদেশে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে দেওয়া নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের সব নিম্ন আদালতের বিচারকের (জেলা জজ, মহানগর জজ, সিজেএম, সিএমএমসহ) কাছে এমন নির্দেশনা পাঠাতে হবে, যাতে যেকোনো নালিশি মামলা দায়েরের সময় বাদী ও আইনজীবীর পরিচয় নিশ্চিত করা যায়। এ জন্য মামলার নথির সঙ্গে আইনজীবীর প্রফেশনাল কার্ড এবং বাদীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) কপি বাধ্যতামূলকভাবে সংযুক্ত করতে হবে।

 

আদালতে রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জে আর খান রবিন।

 

আদেশের বিষয়ে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জানান, ভুয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মাধ্যমে মানুষকে হয়রানি করার বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) ২০১৩ সালে একটি রিট দায়ের করেছিল। ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে ২০১৩ সালের ৩০ জানুয়ারি আদালত রুল জারি করেছিলেন, যার চূড়ান্ত রায় আজ দেওয়া হলো।

 

রায়ের পর্যবেক্ষণে হাইকোর্ট বলেন, যেকোনো নাগরিককে গ্রেপ্তার করতে হলে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করা প্রয়োজন, নতুবা আইনের ব্যত্যয় ঘটবে। ভুয়া ওয়ারেন্টের মাধ্যমে গ্রেপ্তার হলে একজন নাগরিকের মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়, যা রক্ষা করা সব বাহিনীর দায়িত্ব।

 

আদালত আরও বলেন, বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হয়, সে জন্যই মামলা দায়ের ও গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে চরম সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। কারণ, এ ধরনের হয়রানিতে নাগরিকের যে ক্ষতি হয়, তা কোনোভাবেই পূরণ করা সম্ভব নয়।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews