
নিহত মাসুদা বেগম কালাই উপজেলার হারুঞ্জা সাহাপাড়া গ্রামের মৃত দিলবর মণ্ডলের মেয়ে, তার শ্বশুর বাড়িও একই গ্রামে। ২০ বছর আগে শাপলার সঙ্গে মাসুদার বিয়ে হয়। তাদের ১৩ বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত রবিবার বেলা ১১টার দিকে শাপলা লোহার রড ও প্লাস দিয়ে মাসুদা বেগমকে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্বজনরা তাকে প্রথমে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা করান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের সহোদর ভাই মো. বশির উদ্দিন বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন।
পুলিশ জানায়, মামলার আসামি মেহেদী হাসান শাপলাকে স্থানীয় গ্রামবাসী আটক করে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।
মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা, কালাই থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দীপেন্দ্র নাথ সিংহ বলেন, মাসুদা বেগমকে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় স্বামী মেহেদী হাসান শাপলাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভুক্তভোগীর মৃত্যু হওয়ায় মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ থাকলে তদন্তে তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।