
শনিবার দুপুরে শিকারি চক্রের দুই সদস্যকে আদালতে প্রেরণ করলে বিজ্ঞ আদালত তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গ্রেপ্তারকৃত মাসুম বিল্লাহ (৪৪) পাথরঘাটা উপজেলার দক্ষিন চর দুয়ানী গ্রামের রুস্মত আলীর ছেলে। আর হাসান (৩৫) কুয়াকাটা পৌর এলাকার ফুল মিয়া হাওলাদারের ছেলে।
মহিপুর থানা পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাত দশটায় এস আই রাসেল এবং জাহাঙ্গীর হোসেনের নেতৃত্বে আলীপুরের খাপাড়াভাঙ্গা নদীতে অভিযান চালিয়ে একটি কাঠের নৌকা থেকে ককসিটের মধ্যে প্লাস্টিকের বস্তায় রাখা ৪টি প্যাকেটে রাখা ২০ কেজি হরিণের মাংসসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা সুন্দরবনে রশি দিয়ে ফাঁদ পেতে নৃশংসভাবে হরিণ শিকার করে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে। এ ঘটনায় বন্যপ্রানী নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা দায়ের করে আসামীদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।