
বিশেষজ্ঞদের মতে, গর্ভাবস্থায় অনিদ্রা খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। এ সময় শরীরে হরমোনের পরিবর্তন, শারীরিক অস্বস্তি, বারবার প্রস্রাবের চাপ, পিঠ বা কোমরের ব্যথা এবং অনাগত সন্তানকে ঘিরে মানসিক উদ্বেগ এসব কারণেই অনেকের রাতের ঘুম ব্যাহত হয়।
বিশেষ করে প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় দিনে অতিরিক্ত ঘুমঘুম ভাব দেখা দিলেও রাতে গভীর ঘুম আসতে সমস্যা হতে পারে। পাশাপাশি ইস্ট্রোজেনের পরিবর্তনের কারণে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণেও প্রভাব পড়ে, যা ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট করতে পারে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ, গর্ভাবস্থায় পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া, নিয়মিত হালকা ব্যায়াম বা হাঁটাচলা করা, আরামদায়ক ভঙ্গিতে ঘুমানো, ক্যাফিনজাতীয় পানীয় এড়িয়ে চলা এবং মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করলে অনিদ্রার সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তবে দীর্ঘদিন ঘুমের সমস্যা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
এদিকে সামান্থা জানিয়েছেন, চলমান কাজগুলো শেষ করার পর তিনি মাতৃত্বকালীন বিরতিতে যাবেন। তার এই খোলামেলা অভিজ্ঞতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেক অনুরাগী তাকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি গর্ভাবস্থার বাস্তব অভিজ্ঞতা নির্দ্বিধায় তুলে ধরার জন্য প্রশংসাও করেছেন।