
নিজস্ব প্রতিবেদক // বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় হামলা, ভাঙচুর এবং পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩ জন।
শনিবার (১১ জুলাই) রাতে বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেসি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
এর আগে থানায় হামলা, ভাঙচুর এবং পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনায় ৩৪৩ জনের বিরুদ্ধে আগৈলঝাড়া থানার এসআই ওমর ফারুক বাদী হয়ে মামলা করেন। এর মধ্যে ৪৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৩০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মামলা দায়েরের পর বৃহস্পতিবার রাত থেকে শনিবার পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় ২৩ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সবশেষ শনিবার গ্রেপ্তার হয়েছে ইদ্রিস এবং শফিকুল ইসলামসহ পাঁচজন। তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, মামলায় বেআইনি সমাবেশ, দাঙ্গা, সরকারি কাজে বাধা, পুলিশকে মারধর, হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর, চুরি, হুমকি এবং যৌথভাবে অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার সন্ধ্যায় একটি চুরির মামলায় রিয়াজ ফকির নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে থানা হাজতে তিনি নিজের মাথায় আঘাত করলে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
পরে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই দিন বিকালে রিয়াজের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে স্বজন ও স্থানীয়রা থানায় হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে এএসআই আব্দুল হালিমসহ ছয় পুলিশ সদস্য এবং হামলাকারীদের কয়েকজনসহ ১২ জন আহত হয়।