1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
গ্রিসে যাওয়ার পথে ৬ বাংলাদেশি নিখোঁজ - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
মির্জাগঞ্জে ভাইকে না জানিয়ে পৈতৃক বসতঘর কাটার অভিযোগ বরিশালে দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান স্ট্যালিন আটক বরিশাল সিটি কর্পোরেশন প্রশাসকের সঙ্গে নরসুন্দর কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ উজিরপুরে গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিকে সংবর্ধনা, জনতার ঢল গেইলের বিশ্ব রেকর্ড ভেঙে টি-টোয়েন্টিতে ১৮৮ প্রিটোরিয়াসের শানায়া-নভ্যার সঙ্গে ছুটির মেজাজে অনন্যা পান্ডে, নজরকাড়া ছবি শেয়ার বরিশালে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১০, ইয়াবা উদ্ধার বরিশালের মেয়ে ভারতবর্ষের প্রথম নারী চিকিৎসক ভোলার গ্যাস বদলে দিতে পারে দেশের জ্বালানির ভবিষ্যৎ বরিশালে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ গ্রেফতার ১

গ্রিসে যাওয়ার পথে ৬ বাংলাদেশি নিখোঁজ 

  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ৮০ 0 বার সংবাদি দেখেছে

লিবিয়া থেকে অবৈধপথে গ্রিসে যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার ৬ যুবক নিখোঁজ হয়েছেন। এতে চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছে তাদের পরিবার।

সোমবার (১৭ আগস্ট) নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তিদের পরিবার কালবেলাকে এসব তথ্য দেন।

নিখোঁজ যুবকরা হলেন- উপজেলার পশ্চিম পাগলার শত্রুমর্দন গ্রামের হৃদয় পাল, পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের চিকারকান্দি গ্রামের এনামুল খাঁন, রিপন মিয়া, মামুন খাঁন, রনসী গ্রামের মো. তালহা, দরগাপাশার সিচনী গ্রামের সাগর পাল।

নিখোঁজ হৃদয় পালের বাবা রন্টু পাল কালবেলাকে বলেন, গত ৩১ জুলাই সর্বশেষ হৃদয়ের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হয়। এসময় হৃদয় জানায় ২-১ দিনের মধ্যে লিবিয়া থেকে গ্রিসের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। এটাই ছিল হৃদয়ের সঙ্গে সর্বশেষ কথা। এরপর আর হৃদয়ের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, লিবিয়ায় বসবাসরত উমর আলী ও শান্তিগঞ্জের ডুংরিয়া গ্রামের দালাল কদ্দুস আলীর সঙ্গে ১৩ লাখ টাকার চুক্তিতে হৃদয়কে প্রথমে ঢাকা থেকে ভারত পাঠানো হয়। ভারত থেকে শ্রীলংকা হয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত। সেখান থেকে লিবিয়া পাঠানো হয় হৃদয়কে৷ তবে লিবিয়া থেকে গ্রিস পাড়ি দেওয়ার সময় থেকে নিখোঁজ রয়েছে হৃদয়৷ এ ঘটনার খোঁজ নিতে শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশের একটি টিম রন্টু পালের বাড়ি পরিদর্শন করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

অপর নিখোঁজ মামুনের চাচা বলেন, আমার ভাতিজা লিবিয়া থেকে ৩ আগস্ট সাগরপথে গ্রিসে পাড়ি জমায়। ওইদিন আমাদের সঙ্গে ফোনে কথা হয় তার। এরপর থেকে আর মামুনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি, আমার ভাতিজাকে বের করে যেন আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

জানা যায়, এ ঘটনায় জীবিত উদ্ধার হয়ে মিশরের হাসপাতালে শান্তিগঞ্জের আরও ৪ যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। তারা হলেন- দরগাপাশা ইউনিয়নের সিচনী গ্রামের বদরউদ্দিন আহমদ কামরান, একই ইউনিয়নের বুরুমপুর গ্রামের আলিম উদ্দিন এবং পাথারিয়া ইউনিয়নের আবু সাইদ ও আব্দুল করিম।

তাদের শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে বলে জানিয়েছে পরিবার। তবে চিকিৎসাধীন স্বজনদের নিরাপত্তার স্বার্থে দালালদের বিষয়ে মুখ খুলতে অনিহা প্রকাশ করেছেন তারা।

মিশরে চিকিৎসাধীন আব্দুল করিম এক ভিডিও বার্তায় ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, ‘আমরা ৪২ জন গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়া থেকে রওনা হয়েছিলাম। কাছাকাছি পৌঁছানোর পর আমাদের নৌকার ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যায়। ফলে আর সামনে এগোতে পারিনি। এ সময় আমাদের উদ্ধার করতে দালালের লোকজন বা অন্য কোনো সংস্থা এগিয়ে আসেনি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি আরও বলেন, আমাদের কাছে খাবার বা পানি কিছুই ছিল না। খাবারের অভাবে চোখের সামনেই ৯ বাংলাদেশি মারা গেছেন। তাদের মরদেহ সাগরে ফেলে দিতে হয়েছে। পরে আরও দুজন মারা যান। দীর্ঘ সময় লবণাক্ত পানিতে থাকার কারণে আমাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে পচন ধরেছে এবং দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

আব্দুল করি বলেন, আমরা এখন মারসা মাতরুহ হাসপাতালে ভর্তি। এখানকার ডাক্তাররা আমাদের চিকিৎসা দিচ্ছেন এবং ভালো খাবারেরও ব্যবস্থা করছেন। আমাদের বাঁচান, আমরা দেশে ফিরে যেতে চাই।

শান্তিগঞ্জ থানার কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওলিউল্লাহ বলেন, ‘এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কোনো পরিবারে পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়নি। আমরা তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছি।’

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews