1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
ঝুঁকিতে ৭৮ বছরের পুরোনো মাদ্রাসা, আতঙ্কে ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৫ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

ঝুঁকিতে ৭৮ বছরের পুরোনো মাদ্রাসা, আতঙ্কে ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৭ 0 বার সংবাদি দেখেছে

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার কেওতা ঘিগড়া ফাজিল মাদ্রাসা। ৭৮ বছর ধরে এলাকার শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে এখানে পড়াশোনা করছে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী। শিক্ষক রয়েছেন ৩১ জন।

তবে দীর্ঘদিনের পুরোনো ভবনটির বিভিন্ন অংশ এখন জরাজীর্ণ। দেয়াল ও ছাদে দেখা দিয়েছে ফাটল। কোথাও কোথাও পলেস্তারা ক্ষয়ে গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ এ ভবনেই প্রতিদিন ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা। ভবনের এমন অবস্থায় আতঙ্কে রয়েছে তারা।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শ্রেণিকক্ষে বসে থাকার সময় ছাদ ও দেয়ালের দিকে তাকালে তাদের ভয় হয়। বিশেষ করে বৃষ্টি হলে আতঙ্ক বাড়ে। কখন ভবনের কোন অংশ খসে পড়ে- সেই শঙ্কা থাকে তাদের মধ্যে।

মাদ্রাসার শিক্ষার্থী সিয়াম আহমেদ বলে, শ্রেণিকক্ষে বসে পড়ার সময় ভবনের ফাটলগুলো চোখে পড়ে। তখন ভয় লাগে। কখন কী ঘটে, সেই চিন্তা থাকে। আমরা দ্রুত ভবনটি সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণ চাই।

শিক্ষার্থী শাওন আলিফ বলে, বৃষ্টি হলে ভয় আরও বেড়ে যায়। বৃষ্টির পানিতে আমাদের বই-খাতা ভিজে যায়। নিরাপদ পরিবেশে ক্লাস করতে চাই। ভবনটি দ্রুত ঠিক করা দরকার।

আরেক শিক্ষার্থী নূর নাহার বলে, অনেক দিনের পুরোনো ভবন। বিভিন্ন জায়গায় ক্ষতি হয়েছে। এই ভবনে ক্লাস করতে আমাদের ভয় হয়।

মাদ্রাসার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা মোবাশ্বের হোসাইন বলেন, ভবনটি দীর্ঘদিনের পুরোনো হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও ক্ষয় দেখা দিয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান নিয়ে তারাও উদ্বিগ্ন। ভবনটি সংস্কার অথবা নতুন ভবন নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন। বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

মাদ্রাসার শিক্ষক খলিলুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রতিদিনই আমাদের চিন্তা হয়। ভবনটির দ্রুত সংস্কার অথবা নতুন ভবন নির্মাণ প্রয়োজন। বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

স্থানীয় বাসিন্দা নাজমুল হুদা চমন বলেন, এ মাদ্রাসা থেকে এলাকার বহু মানুষ পড়াশোনা করেছেন। এত পুরোনো একটি প্রতিষ্ঠানের ভবন জরাজীর্ণ হয়ে থাকলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। শিক্ষার্থীদের জীবনের নিরাপত্তার বিষয়টি সবার আগে বিবেচনা করা উচিত।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সাঈদ বলেন, ভবনটি সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণের জন্য শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর বরাবর আবেদন করলে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews