
দারাজের নামে ফিশিং লিংক ব্যবহার করে অনলাইনে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৬ লাখ ১০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মো. রিয়াজুল ইসলাম (৩১) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৮, বরিশাল ও এসআরবি-৬, যশোরের যৌথ আভিযানিক দল।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে যশোর জেলার কোতয়ালী থানাধীন বারবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রিয়াজুল ইসলাম পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার দেবত্র এলাকার মো. শহিদুল ইসলামের ছেলে।
এসআরবি-৮, বরিশালের দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রিয়াজুল ইসলামসহ একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র দারাজ অ্যাপসের নামে সাইবার স্পেসে ফিশিং লিংক ব্যবহার করে চাকরি ও অনলাইন পণ্য কেনার মাধ্যমে আকর্ষণীয় কমিশনের প্রলোভন দেখাত।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী মোছা. সুমনা পারভীন (৪৫)-কে দারাজের নামে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত করা হয়। সেখানে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পণ্য কেনার মাধ্যমে কমিশন দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়। পরবর্তীতে ওয়ালেটে জমা হওয়া টাকা উত্তোলনের শর্ত হিসেবে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠাতে বলা হয়।
এরপর ভুক্তভোগী বিভিন্ন সময়ে ওই চক্রের ব্যবহৃত বিকাশ নম্বর ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের হিসাবে মোট ৬ লাখ ১০ হাজার ৪২ টাকা পাঠান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরবর্তীতে এ ঘটনায় বরিশালের সাইবার ট্রাইব্যুনালে পিটিশন মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তে রিয়াজুল ইসলামের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়ার পর তাকে গ্রেপ্তারে এসআরবি-৮-এর অধিনায়কের কাছে অভিযাচনপত্র পাঠানো হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে এসআরবি-৮, সদর কোম্পানি, বরিশাল এবং এসআরবি-৬, সিপিসি-৩, যশোরের যৌথ দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যশোর জেলার কোতয়ালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।