1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
দুই অঞ্চলে বন্যার শঙ্কা - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

দুই অঞ্চলে বন্যার শঙ্কা

  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
  • ১৬ 0 বার সংবাদি দেখেছে

উজানে ও দেশের ভেতরে ভারি বৃষ্টির কারণে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উত্তরাঞ্চল এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা ছাড়িয়ে যেতে পারে। এর ফলে লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, সিলেট, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোণাসহ সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক বা স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার শঙ্কার কথা জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

কেন্দ্রটি থেকে দেওয়া রোববার (১৯ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী আগামী ২ দিন দেশের ভেতরে রংপুর ও সিলেট বিভাগে এবং উজানে ভারতের আসাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।

উত্তরাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীসমূহের পানি সমতল স্থিতিশীল রয়েছে, যা আগামী ৩ দিন বৃদ্ধি পেতে পারে।

আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় নদীসমূহ কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এর ফলে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও আকস্মিক অথবা স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদী নিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুরমা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল আছে। তবে আগামী ৩ দিন এসব নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে।

আগামী ৪৮ ঘণ্টায় নদীগুলো কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে অথবা বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে।

বর্তমানে কুশিয়ারা নদী সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জের মারকুলি স্টেশনে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর বিষয়ে সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি সমতল স্থিতিশীল আছে, অপরদিকে যমুনা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী ৫ দিন অব্যাহত থাকতে পারে।

আগামী দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম দিন (২০ হতে ২৪ জুলাই) ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলার কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে।

এছাড়া সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের নদীগুলোর বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সারিগোয়াইন, যাদুকাটা ও কংস নদীসমূহের পানি সমতল স্থিতিশীল আছে, অপরদিকে সোমেশ্বরী ও ভুগাই নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে।

আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় নেত্রকোণা জেলার সোমেশ্বরী নদী কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

পাশাপাশি রংপুর এবং রাজশাহী বিভাগের আপার করতোয়া, আপার আত্রাই, টাঙ্গন, পুনর্ভবা, মহানন্দা ও যমুনেশ্বরী নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরদিকে ঘাঘট, আত্রাই, করতোয়া ও ছোট যমুনা নদীর পানি কমেছে।

তবে আগামী ৩ দিন এসব নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

 

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews