1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
বরিশালে পালিয়ে স্কুলছাত্রীকে বিয়ে: তরুণকে হত্যার অভিযোগ - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

বরিশালে পালিয়ে স্কুলছাত্রীকে বিয়ে: তরুণকে হত্যার অভিযোগ

  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২২
  • ৪০৫ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক // বরিশাল নগরীতে পালিয়ে স্কুলছাত্রীকে বিয়ে করা এক তরুণকে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

নিহত ১৯ বছর বয়সী মো. হৃদয় হোসেন নগরীর ডেফুলিয়া এলাকার মো. খোকন হাওলাদারের ছেলে। বরিশাল মহানগর এয়ারপোর্ট থানার ওসি কমলেস চন্দ্র হালদার জানান, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হৃদয়কে নগরীর কুদঘাটা টেক্সাইল মিল সংলগ্ন বালুর মাঠে কে বা কারা পিটিয়ে ফেলে রাখে।

পরে তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হৃদয় নগরীর কুদঘাটা এলাকায় বিয়েসহ নানা অনুষ্ঠানের আলোকসজ্জা ও সাউন্ড সিস্টেম ভাড়া দেওয়ার ব্যবসা করতো। তার লাশ শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

তবে হৃদয়ের শরীরে কোনো আঘাতে চিহ্ন দেখা যায়নি বলে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের এসআই আব্দুর রহমান জানিয়েছেন।

হৃদয়ের মামা হাবীব বলেন, কুদঘাটা এলাকার এক অটোরিকশা চালকের মেয়ের সঙ্গে হৃদয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। গত ১৬ অগাস্ট তারা পালিয়ে কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে করে। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা এয়ারপোর্ট থানায় মামলা করেন।

“পরে পুলিশ আমার বোন মারুফা বেগম ও আমার আরেক ভাই মোস্তফাকে আটক করে। দুইদিন পর মেয়েকে উদ্ধার করে পুলিশের কাছে দেওয়া হয় এবং ঘটনাটি মীমাংশা করে দেয় পুলিশ।”

হাবীবের অভিযোগ, ওই ঘটনার পর থেকে মেয়ের আপন ভাইসহ চাচাতো ভাইয়েরা হৃদয়কে এলাকা ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিলো। না ছাড়লে হত্যার করারও হুমকি দেয়।

এরপর বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে মেয়ের বাড়ির আনুমানিক ৩০০ গজ দূরে বালুর মাঠে হৃদয়ের লাশ পাওয়া যায়।

ওই ছাত্রী অপহরণের অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এয়ারপোর্ট থানার এসআই মো. সুমন বলেন, “নবম শ্রেণী পড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে নিয়ে হৃদয় পালিয়ে যায়।

পরে মেয়েটিকে উদ্ধার করে তার মায়ের জিম্মায় দেওয়া হয়। মেয়েকে ফিরে পেয়ে পরিবার আর কোনো মামলা করেনি। স্থানীয়ভাবে নিজেরা সমাধান করেছে।

“তাছাড়া হৃদয়ের শরীরে কোনো আঘাতের কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি। কিভাবে তার মৃত্যু হয়েছে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পেলে বলতে পারবো না।” ওসি কমলেস জানান, এ ঘটনায় এখনও কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন তারা।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews