
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাতে উপজেলার উত্তর পাঙ্গাসিয়া গ্রামের হাওলাদার বাড়ির বায়তুল মামুন জামে মসজিদ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত সায়েম পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠী ইউনিয়নের জামুরা গ্রামের আব্দুল জব্বার মৃধার ছেলে। তিনি ওই মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার এশার নামাজের সময় হলে মুসল্লি মো. ইউসুফ হাওলাদার সায়েমের কক্ষে যান। এ সময় তাকে অস্বাভাবিক অবস্থায় দেখতে পেয়ে বিষয়টি অন্য মুসল্লি ও স্থানীয়দের জানান। পরে কক্ষের সিলিং ফ্যানের হুকের সঙ্গে প্লাস্টিকের রশি ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। সায়েমের গলায় ফাঁসের দাগ ছিল বলেও স্থানীয়রা জানান।
খবর পেয়ে দুমকি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের ভাই কামাল হোসেনসহ পরিবারের সদস্যরা সায়েমের মৃত্যুকে রহস্যজনক বলে দাবি করেছেন।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।