1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
মাছ মুরগি সবজি তেলসহ নিত্যসামগ্রীর দাম বাড়তি - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884
সংবাদ শিরনাম :
বরিশাল বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য নির্বাচিত হলেন মইনুদ্দিন নাসির রুবেল শাতলা পশ্চিম চাতলা হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ভর্তি কার্যক্রম শুরু পরকীয়া সম্পর্কের জেরে হত্যাকাণ্ড, র‍্যাবের হাতে মূলহোতা আটক মেহেন্দিগঞ্জ থানা বরিশাল জেলার শ্রেষ্ঠ থানা মনোনীত! দিল্লির ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে দেড় বছর পর আবারও চালু হলো ১০ শয্যার আইসিইউ সেবা পাটগাতী-বাগেরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে বাঁশের হাট, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি খুলনা-বরিশাল বিভাগের ৫ জেলায় পরিবহন ধর্মঘট এক মাসের জন্য স্থগিত সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক বদলির ক্ষমতা পাচ্ছেন ডিসি-ইউএনওরা জামায়াত কর্মীকে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর চেষ্টা

মাছ মুরগি সবজি তেলসহ নিত্যসামগ্রীর দাম বাড়তি

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১৫ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক // এক বছর আগের এই সময়ে বাজারে সোনালি মুরগির কেজি ছিল ২৩০–২৬০ টাকা। তখন মাঝারি আকারের এক কেজি রুই মাছ কেনা যেত ৩০০–৩৫০ টাকায়। এখন বাজারে সোনালি মুরগির কেজি ৩৮০–৪২০ টাকা। আর ৩৫০ টাকার নিচে রুই মাছ কেনা যায় না। আকারে একটু বড় হলে রুই মাছের দাম হয় ৪০০ টাকার আশপাশে।

 

গত বছরের এই সময়ের তুলনায় তেলাপিয়া, পাঙাশ ও চিংড়ি মাছের দাম এখন বেশি। সাম্প্রতিক সময়ে দাম বেড়েছে খোলা সয়াবিন তেলের। বিভিন্ন ধরনের সবজির দামও চড়া। সাধারণত সীমিত আয়ের মানুষেরা খরচ পোষাতে এসব মাছ, মুরগি ও সবজি বেশি কেনেন। কিন্তু এসব নিত্যসামগ্রীর দাম বাড়লেও মানুষের আয় সেভাবে বাড়েনি। ফলে খরচ বাঁচাতে নানা জায়গায় কাটছাঁট করছেন তাঁরা।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজারে মুরগি ও মাছের সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। কিন্তু এই সংকটের সুযোগ নিয়ে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী দাম বাড়িয়েছেন। আর গ্রীষ্ম মৌসুমের শুরু হিসেবে বেশ কিছু সবজির দামও বাড়তি। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, টাউন হল বাজার ও আগারগাঁও তালতলা বাজার ঘুরে এবং ক্রেতা–বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

 

মাঝারি আকারের এক কেজি রুই মাছ কেনা যেত ৩০০–৩৫০ টাকায়। এখন বাজারে সোনালি মুরগির কেজি ৩৮০–৪২০ টাকা। আর ৩৫০ টাকার নিচে রুই মাছ কেনা যায় না। আকারে একটু বড় হলে রুই মাছের দাম হয় ৪০০ টাকার আশপাশে।

 

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গতকাল বাজারে প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রায় সপ্তাহখানেক ধরে সোনালি মুরগির এমন চড়া দাম রয়েছে। একপর্যায়ে ৪৫০ টাকা দামও উঠেছিল। গত এক মাসের ব্যবধানে সোনালি মুরগির দাম কেজিতে অন্তত ১০০ টাকা বেড়েছে। এক বছরের ব্যবধানে দাম বেড়েছে প্রায় দেড় শ টাকা। গত বছরের তুলনায় বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি দামও কেজিতে ২০ টাকা বেশি রয়েছে। তবে ডিমের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

 

বিক্রেতারা জানান, মুরগির বাচ্চা ও খাদ্যের দাম বাড়ায় লোকসানে পড়ে সাম্প্রতিক সময়ে অনেক খামারি সোনালি মুরগি পালন কমিয়েছেন। এ ছাড়া রোগের আক্রমণেও অনেক মুরগি মারা যায়। ফলে বর্তমানে সোনালি মুরগির সরবরাহ–সংকট থেকে দাম বেড়েছে। ক্রেতারা অবশ্য এ যুক্তি মানছেন না। যেমন মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা পাভেল বলেন, হঠাৎ করে সোনালি মুরগির দাম ১০০ টাকার বেশি বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা সরবরাহ–সংকটের সুযোগ নিয়ে অন্যায্যভাবে দাম বাড়িয়েছেন। তাঁদের কারসাজি ছাড়া একবারে এত দাম বাড়ার কথা নয়।

 

গতকাল বাজারে আকারভেদে প্রতি কেজি তেলাপিয়া, কই ও পাঙাশ মাছ ২২০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মাঝারি আকারের চাষের চিংড়ির কেজি ৮০০ টাকা। আর চাষের শিং, পাবদা ও পোয়া মাছ বিক্রি হয়েছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে।

 

এখন গ্রীষ্ম মৌসুমের সবজি বাজারে ওঠা শুরু করেছে। চিচিঙ্গা, ঝিঙে, বরবটি, ঢ্যাঁড়স প্রভৃতি এর মধ্যে অন্যতম। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সাধারণত এ সময়ে মৌসুমি সবজির দাম একটু বেশি থাকে। এসব সবজির সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে।

 

বাজারে চিনি ও ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে। বিক্রেতারা জানান, প্রায় দুই মাস ধরে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কম। কোম্পানিগুলো ডিলার পর্যায়ে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে তিন থেকে চার টাকা করে বাড়িয়েছে।

 

এদিকে বোতলজাত সয়াবিনের সংকটের মধ্যে খোলা সয়াবিন তেলের দামও লিটারে প্রায় ১০ টাকা বেড়েছে। অন্যদিকে খুচরা পর্যায়ে এক কেজি খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায়, যা দুই সপ্তাহ আগেও কেজিতে ৫ টাকা কম ছিল।

 

রাজধানীর আগারগাঁও তালতলা বাজারে ক্রেতা মইন মসাররফ বলেন, ‘গত দুই দিন ঘুরে পাঁচ লিটার সয়াবিন তেল কিনতে পেরেছি। আগে যে তেল ৯৪৫ টাকায় কিনতাম, এখন তা কিনেছি ৯৫৫ টাকায়। মাছ–মুরগির দামও বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় খরচ কমাতে হচ্ছে প্রয়োজনীয় নানা জায়গায় কাটছাঁট করে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews