
গতকাল সোমবার রাত ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা থেকে তাকে আটক করে রায়পুরা থানা পুলিশ। এ বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন রায়পুরা থানার ওসি মুজিবুর রহমান।
জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া জুনায়েদ আহমদ উপজেলার চান্দেরকান্দি এলাকার মুছলেহ উদ্দিনের ছেলে এবং প্রতিষ্ঠানটির মুহতামিম। ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন জুনায়েদ।
ভুক্তভোগীর মা জানান, দুই মাস আগে রায়পুরা পৌর এলাকার হাসিমপুর-কলাবাড়িয়ার জান্নাতুল বুশরা বালিকা মাদরাসায় ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী ও তার ছোট ভাইকে ভর্তি করানো হয় । সেখানে (আবাসিক) থেকে পড়াশোনা করছিল সে। গত শুক্রবার রাত ২টায় ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন মাদরাসার মুহতামিম জুনায়েদ আহমদ।
ঘটনার পর সকালে অসুস্থতা বোধ করলে ওই ছাত্রী তার খালার বাড়ি রায়পুরা পৌর শহরের মৌলভীবাজারের বাসায় চলে যায়। সেখানে তার অসুস্থতার কারণ জানতে চাইলে ঘটনার বিস্তারিত ওই ছাত্রী তার খালাকে জানান। পরে বিষয়টি ওই ছাত্রীর মা ও বাবাকে ফোনে জানানো হয়।
এ ঘটনায় জড়িত শিক্ষক জুনায়েদের বিরুদ্ধে গত রোববার রায়পুরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা। অভিযোগের একদিন পর গতকাল সোমবার বিকেলে রায়পুরা থানায় ধর্ষণ মামলা হিসেবে রুজু হয়। রুজু হওয়ার পর রাতেই এজেহারভুক্ত আসামি শিক্ষক জুনায়েদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে গ্রেপ্তারের আগে ফেসবুকে জুনায়েদ তার আইডিতে এ ঘটনা মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্র বলে দাবী করেন।