1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের অধিকার নিশ্চিত করা সময়ের দাবি - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৩০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884
সংবাদ শিরনাম :

মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের অধিকার নিশ্চিত করা সময়ের দাবি

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
  • ১৭ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক // চিকিৎসক, নার্স ও ফার্মাসিস্টদের মতো মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করা সময়ের দাবি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট অ্যালায়েন্স (বিএমটিএ)।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিশ্ব মেডিকেল টেকনোলজিস্ট দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এ কথা জানিয়েছে সংগঠনটি।

বিএমটিএ মহাসচিব মো. শামীম শাহ স্বাক্ষরিত বাণীতে বলা হয়, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা পরিকল্পনা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ল্যাবরেটরি, রেডিওলজি, ফিজিওথেরাপি, ডেন্টাল, ফার্মেসি ও অন্যান্য স্বাস্থ্য প্রযুক্তি সেবার মাধ্যমে তারা নিরলসভাবে জনগণের স্বাস্থ্যসেবায় অবদান রেখে চলেছেন।

বিশ্ব মেডিকেল টেকনোলজিস্ট দিবসে আমরা স্বাস্থ্যসেবায় মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের অসামান্য অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছে সংগঠনটি। সেইসঙ্গে তাদের ন্যায্য মর্যাদা, পেশাগত স্বীকৃতি, ক্যারিয়ার উন্নয়ন ও জনবল কাঠামোর উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিএমটিএ জানায়, আজ থেকে ২৫৯ বছর আগে ৮ জুলাই ১৭৬৬ সালে, আধুনিক মেডিকেল টেকনোলজি বিভাগের জনক ডা. ডমিনিক জনি নারি, যিনি ফরাসি সামরিক ডাক্তার হিসেবে নেপোলিয়ন বোনাপার্টের সেনাদলে প্রধান সার্জন পদে নিয়োজিত ছিলেন। তারই মাতৃকৃষ্ট ফলাফল আজকের এই ‘মেডিকেল টেকনোলজিস্ট’ পরিমণ্ডল।

সংগঠনটি জানায়, নির্দিষ্ট কিছু সেনাদের যথাযথ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বন করার শিক্ষা দিয়ে তাদের প্রশিক্ষিত করে তোলেন এবং তৎকালীন সময়ে প্যারামেডিক্যাল বা আজকের দিনে মেডিকেল টেকনোলজি বিভাগের সূচনা হয়। যাদের ওপর ভিত্তি করে আহত সেনাদের যুদ্ধক্ষেত্রে সেবা প্রদানের কথা ভেবে অত্যন্ত দ্রুত আধুনিক ট্রাইএজ সিস্টেম চালু করেন, যার মাধ্যমে মিনিট ১ থেকে ৬০ ঘণ্টার সেনাও চিকিৎসা পেয়ে সুস্থ হয়ে যুদ্ধের ময়দানে ফিরে আসতেন।

এই আধুনিক ট্রাইএজ সিস্টেমের মধ্যে ক্রমে উন্নতি হয়ে আজ সমগ্র মেডিকেল টেকনোলজি বিভাগ অর্থাৎ ল্যাবরেটরি টেকনোলজি, ডেন্টাল টেকনোলজি, ফিজিওথেরাপি টেকনোলজি, রেডিওলজি টেকনোলজি, ক্রিটিক্যাল কেয়ার টেকনোলজি সহ সমগ্র বিভাগ চালু হয়েছে। যাদের মূল কাজ হলো আধুনিক প্রযুক্তি-নির্ভর চিকিৎসা পরিসেবার সঙ্গে পরিচয় ঘটিয়ে রোগ নির্ণয়ে চিকিৎসকদের যথাযথ সহায়তা করা। মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিসরটি বৃহৎ আকারে অনলাইনে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর চিকিৎসা সম্পর্কে জানা সম্ভব। এই পরিসরে চালিকাশক্তি অবশ্যই প্রতিটি বিভাগের অভিজ্ঞ চিকিৎসকের ধারণা প্রসূত, তাই যথাযথভাবে নির্দিষ্ট বিভাগের মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংগঠনটি জানায়, স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫৩ বছর পরে ২০১৮ সালে নন-মেডিকেল গেজেটের মাধ্যমে টেকনিশিয়ান পদবি মুছে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদবি হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা পেশার ডাক্তার, নার্স, ফার্মাসিস্টদের পেশাগত কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হলেও বারবার সরকারের কাছে আবেদন করার পরও মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়নি। নার্সিং পেশাকে গুরুত্ব দিয়ে তাদের উপ-পরিচালক, পরিচালক পদবী দিলেও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি থাকলেও মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের পদোন্নতির সুযোগ রাখা হয়নি।

বিএমটিএ বলছে, সরকার অ্যালাইড হেলথ প্রফেশনাল শিক্ষা বোর্ড তৈরির সিদ্ধান্ত নিলেও এখন বাস্তবায়িত হয়নি, যা মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের পেশার বিশাল গুরুত্ব বহন করে। প্রতি বছর ৮ জুলাই ডমিনিক জনি নারির অবদানকে স্মরণ রেখে ‘বিশ্ব মেডিকেল টেকনোলজিস্ট দিবস’ পালিত হয়ে আসছে এবং এই বিশেষ দিনে তাকে উদ্দেশ্য করে আধুনিক অ্যালাইড হেলথ শিক্ষা বোর্ড বাস্তবায়ন করে বৃহৎ পরিসরে প্রতিটি বিভাগে দক্ষ মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের ডাক্তার, নার্সদের মতো সম্মানিত করা হোক- এই অনুরোধ রইল স্বাস্থ্য প্রশাসনের প্রতি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews