
আন্না হাইজাদী ইউনিয়নের বল্লভদী গ্রামের সৌদি প্রবাসী মো.আরিফের স্ত্রী ও আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাক্ষন্দী ইউনিয়নের মারুয়াদী গ্রামের বাসিন্দা। তার ১১ মাস বয়সের এক ছেলে রয়েছে।
নিহতের মা কুলসুম বলেন, ‘গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় আন্নার সঙ্গে তার শাশুড়ি হাসনারা, ননদ সনি আক্তার এবং চাচাশ্বশুর ফিরোজ মিয়ার ঝগড়া হয়। ঝগড়াকে কেন্দ্র করে রাতের কোনো এক সময়ে আমার মেয়ে আন্নাকে পিটিয়ে ও পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে মরদেহ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা করছে বলে প্রচার করতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা মরদেহ নামিয়ে মেঝেতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।’
নিহতের মা আরও জানান, আন্নার শ্বশুর সুরুজ মিয়া কাতারে থাকেন। এই সুযোগে তার শাশুড়ি এবং চাচা শ্বশুর ফিরোজ মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া সম্পর্ক চলে আসছিল। তাদের পরকীয়ার বিষয়টি জেনে যায় আন্না আক্তার। এর জেরে পরিবারের সবাই মিলে আন্নাকে হত্যা করেছে।
জানা গেছে, ৫ বছর আগে আন্না আক্তারকে বিয়ে করেন আরিফ। বিয়ের পর তিনি সৌদি চলে যান। বছর দুয়েক আগে ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন আরিফ।
নিহতের বাবা রোমান বলেন, ‘আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।’
আড়াইহাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন জানান, নিহতের ঘাড় ভেঙ্গে গেছে।
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফউদ্দিন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে বিস্তারিত বলা যাবে।