1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
হস্তান্তরের আগেই কোটি টাকার সেতুর উইং ওয়ালে ধস - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

হস্তান্তরের আগেই কোটি টাকার সেতুর উইং ওয়ালে ধস

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
  • ২৩ 0 বার সংবাদি দেখেছে
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার সূর্যমনি ইউনিয়নের নুরাইনপুর খালের ওপর নির্মিত কোটি টাকার গার্ডার ব্রিজের উইং ওয়াল ধসে পড়েছে। কাজের তদারকি না থাকা, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের চরম অনিয়ম, দুর্নীতি আর নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণে এ ধসের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের এ গার্ডার ব্রিজ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ১৬ লাখ ৪৮ হাজার ৭৯ টাকা। এর মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ৬০ লাখ টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে। পটুয়াখালীর ‘লুকাইয়া ট্রেডার্স, হাজির হাট’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এ কাজটি করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৩০ মে এ ব্রিজের কার্যাদেশ দেওয়া হয়, যা ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে না পারায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সময় বর্ধিত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শুরু থেকেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি শিডিউল (তপশিল) না মেনে নিজেদের ইচ্ছেমতো দায়সারাভাবে কাজ করে। নির্মাণ কাজে অত্যন্ত নিম্নমানের ইট, বালু ও খোয়া ব্যবহার করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, ব্রিজের তলদেশের বিম সমতল না করে উঁচু-নিচু রাখা হয়েছে এবং সঠিক সেন্টারিং না করার কারণে গ্রেড বিম সম্পূর্ণ আঁকাবাঁকা হয়ে গেছে। কাজ চলাকালীন এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করলেও ঠিকাদারের লোকজন তাতে কোনো কর্ণপাত করেনি। উল্টো দীর্ঘদিন কাজ ফেলে রেখে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নুরাইনপুর খালের ওপর নির্মাণাধীন ব্রিজের পশ্চিম পাশের একটি উইং ওয়াল দুই ভাগ হয়ে গেছে। এছাড়া পূর্ব পাশের বাকি দুটি উইং ওয়ালেও বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে, যা যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সোবহান মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ব্রিজের কাজ শুরু করার পর দীর্ঘদিন ফেলে রাখা হয়েছিল। ঠিকাদাররা তাদের ইচ্ছেমতো কাজ করেছে। অনিয়ম নিয়ে বারবার অভিযোগ করা হলেও কোনো লাভ হয়নি। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, কাজ চলাকালীন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো কর্মকর্তা বা তদারকি কর্মকর্তাকে কাজেরস্থলে দেখা যায়নি।

লুকাইয়া ট্রেডার্সের ঠিকাদার রফিকুল ইসলাম বলেন, নির্মাণকাজ যথাযথভাবে করা হয়েছে। ভাগ্য খারাপ তাই ওয়াল ভেঙে গেছে।

বাউফল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি নতুন যোগদান করেছি। বিষয়টি জানার পরপরই আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ও ধসে পড়া অংশ শিডিউল অনুযায়ী পুনর্নির্মাণের নির্দেশ দিয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এ কাজের অনুকূলে এ পর্যন্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে মাত্র ৬০ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews