1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে রিয়ালের দুর্দান্ত জয় - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩৯ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884
সংবাদ শিরনাম :

এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে রিয়ালের দুর্দান্ত জয়

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৬ 0 বার সংবাদি দেখেছে
স্পোর্টস ডেস্ক // রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ইতিহাস গড়তে কিলিয়ান এমবাপ্পে ভীষণ ক্ষুধার্ত বলে মন্তব্য করেছেন কোচ হোসে মরিনিও। বুধবার রাতে স্প্যানিশ লিগে রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে ৪-১ গোলের জয়ে হ্যাটট্রিক করে দলকে টানা দ্বিতীয় জয় এনে দেন এমবাপ্পে।

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই গোল করে রিয়ালকে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে। তবে কিছুক্ষণ পর লুকা সুশিচ গোল করে সোসিয়েদাদকে সমতায় ফেরান। ফলে সমতায় থেকেই বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও দুটি গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন এমবাপ্পে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রও একটি গোল করেন। জুড বেলিংহাম দুটি গোলে সহায়তা করেন। ফলে ৪-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল মাদ্রিদ। স্পেনে ফিরে এখন পর্যন্ত মরিনিওর অধীনে এটি রিয়ালের টানা দ্বিতীয় জয়।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মরিনিও বলেন, ‘এই ছেলে এমবাপ্পে অবিশ্বাস্য। বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়তে পেরে আমি তার জন্য খুশি। বিশ্বকাপে ২৫ জন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন খেলোয়াড় ছিল, কিন্তু ফুটবলের ইতিহাসে চিরস্থায়ীভাবে জায়গা করে নিতে পারে একজনই—বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করা খেলোয়াড়।’

তিনি আরও বলেন, ‘রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে ইতিহাস গড়তে সে ক্ষুধার্ত।’

সপ্তাহের শুরুতে এস্পানিওলের বিপক্ষে রিয়ালের ২-১ গোলের জয়ে এমবাপ্পে নিজে গোল করতে পারেননি। তবে শেষ মুহূর্তে কার্লোস এসপির গোলের সুযোগ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি।

এ মৌসুমে এমবাপ্পের কত গোল করা বাস্তবসম্মত—এমন প্রশ্নের মুখে মরিনিও তার আগের রিয়াল অধ্যায়ের প্রসঙ্গ টানেন। ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত রিয়ালের কোচ থাকাকালে লিওনেল মেসি এক মৌসুমে লিগে ৫০ গোল এবং ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ৪৬ গোল করেছিলেন।

মরিনিও বলেন, ‘৬০, ৪০ নাকি ৫০? আমি বলতে পারি না। আমি চাইব ৪০ গোল করুক, তবে সেই গোলের সঙ্গে শিরোপাও থাকুক। অথবা ৪০ গোল করুক এবং অনেক পরিশ্রম করুক।’

এমবাপ্পের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তিগত দিক থেকে তার বিষয়ে বলার কিছু নেই। তবে দলের মধ্যে সে দায়িত্ব নিচ্ছে। ছুটি শেষ হওয়ার দুই দিন আগেই সে ফিরে এসেছিল।’

মরিনিও আরও বলেন, ‘আজ তাকে পুরো ৯০ মিনিট মাঠে রেখেছিলাম। আমার মনে হচ্ছিল, সে হয়তো চারটি গোলও করতে পারে।’

শেষ পর্যন্ত তিন গোলেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে এমবাপ্পেকে। তবে জয় দিয়ে স্পেনে প্রত্যাবর্তনটা আনন্দময় হয়েছে মরিনিওর। যদিও ম্যাচ সমতায় থাকা অবস্থায় প্রথমার্ধে বার্নাব্যুর দর্শকদের কাছ থেকে রিয়াল খেলোয়াড়দের উদ্দেশে কিছু দুয়োধ্বনিও শোনা যায়।

মরিনিও বলেন, ‘আমরা বার্নাব্যুকে চিনি, খেলোয়াড়েরাও চেনে, আমিও চিনি। সৌভাগ্যবশত তারা এমনই। কারণ এটা ইতিহাসেরই ফল।’

‘রিয়াল মাদ্রিদে সব সময়ই দুর্দান্ত দল ও খেলোয়াড় থাকে, আর সমর্থকেরা আরও বেশি কিছু চান। তারা আবেগ, আনন্দ ও হতাশা অনুভব করার জন্যই অর্থ খরচ করেন।’

‘শেষ পর্যন্ত আমরা যা চেয়েছিলাম, সেই তিন পয়েন্ট পেয়েছি। সমর্থকেরাও আমাদের সামর্থ্যের স্বাদ নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তিন, চার, পাঁচ গোল—এমন অনেক ম্যাচই আমরা খেলব।’

এদিকে মৌসুমের শুরুতে টানা দুই ম্যাচে হারলেও রিয়াল সোসিয়েদাদের কোচ পেলেগ্রিনো মাতারাজ্জো দলের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আজ আমরা দেখিয়েছি, বার্নাব্যুতে প্রথম ৪৫ থেকে ৬০ মিনিট পর্যন্ত আমরা বিশ্বমানের একটি দলের সঙ্গে সমানতালে লড়াই করতে পারি। খেলোয়াড়েরা অভিজ্ঞতা অর্জন করছে, দলের নতুন খেলোয়াড়েরাও নিজেদের মানিয়ে নিচ্ছে। তাই এই ম্যাচ থেকে নেওয়ার মতো অনেক ইতিবাচক দিক রয়েছে।’

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews