1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
২ বছর স্কুলে অনুপস্থিত, শিক্ষকের বিরুদ্ধে বেতন-ভাতা তোলার অভিযোগ - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884
সংবাদ শিরনাম :

২ বছর স্কুলে অনুপস্থিত, শিক্ষকের বিরুদ্ধে বেতন-ভাতা তোলার অভিযোগ

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৬ 0 বার সংবাদি দেখেছে

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ১৫৯ নম্বর পাঞ্জুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নাহিয়ান বিনতে ইউসুফের গত দুই বছর ধরে অনুপস্থিত। স্কুলে না এলেও তিনি এ সময়ের মধ্যে বেতন-ভাতা তুলে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, ১৫৯ নম্বর পাঞ্জুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট পাঁচজন শিক্ষক কর্মরত। তাদের মধ্যে সহকারী শিক্ষক নাহিয়ান বিনতে ইউসুফ প্রায় দুই বছর ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত। ফলে বর্তমানে চারজন শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয়ের নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, একজন শিক্ষক দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। এতে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এ ঘটনায় গত ২০ আগস্ট কলাপাড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. বাবুল হাওলাদার।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, সহকারী শিক্ষিকা নাহিয়ান বিনতে ইউসুফের দীর্ঘদিনের অনুপস্থিতির বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কেএম মনির একাধিকবার উপজেলা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে লিখিত ও মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও বিষয়টির কার্যকর সমাধান হয়নি।

স্থানীয় অভিভাবক ইসাহাক হাওলাদার বলেন, একজন শিক্ষক দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলে এর সরাসরি প্রভাব পড়ে শিক্ষার্থীদের ওপর। বিশেষ করে প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষক সংকট তৈরি হলে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হয়। তাই বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

এদিকে, দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার পাশাপাশি নিয়মিত সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণের অভিযোগ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে শিক্ষিকার অনুপস্থিতির পেছনে অনুমোদিত ছুটি, ডেপুটেশন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বা অন্য কোনো বৈধ কারণ রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।

অভিযোগের বিষয়ে সহকারী শিক্ষিকা নাহিয়ান বিনতে ইউসুফ বলেন, ‘আমি ডেপুটেশন ছুটিতে রয়েছি। তবে এর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। নতুন করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র করতে দিয়েছি।’

কলাপাড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহিদা বেগম বলেন, ‘সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী তিনি এক বছরের ডেপুটেশনে ছিলেন। গত ১১ আগস্ট ওই পরিপত্র বাতিল করে তাকে নিজ প্রতিষ্ঠানে যোগদানের জন্য বলা হয়েছে। কিন্তু তিনি এখনো যোগদান করেননি, যা অবশ্যই নিয়মবহির্ভূত। আমরা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর প্রতিবেদন পাঠিয়েছি। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

পটুয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদ করিম বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি জানতাম না। বিষয়টি খতিয়ে দেখে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews