
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে কুমিরটি ধরা পড়ে। খবর ছড়িয়ে পড়লে কুমিরটি দেখতে শত শত মানুষ ঘাট এলাকায় ভিড় করেন। একই সঙ্গে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, স্বপন বেপারী (৪০), সাগর বেপারী (৪৮), বিল্লাল খান (৬০) ও শেখ ইলিয়াস (৪০) নদীতে হাজারী বড়শি বসিয়ে মাছ ধরছিলেন। এ সময় তাদের বড়শিতে কুমিরটি আটকা পড়ে। পরে তারা কুমিরটিকে উদ্ধার করে রশি দিয়ে বেঁধে ঘাটের পাড়ে নিয়ে আসেন।
জেলে শেখ ইলিয়াস জানান, কুমিরটি ধরা পড়ার সময় ঘাটের পশ্চিম পাশে আরও দুটি কুমির দেখতে পেয়েছেন তারা। ওই দুটি আকারে আরও বড় ছিল বলে দাবি করেন তিনি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
স্বপন বেপারী বলেন, ‘কুমিরটি বড়শিতে আটকা পড়ার পর দ্রুত উদ্ধার করে ঘাট এলাকায় আনা হয়। পরে বন বিভাগকে খবর দেওয়া হয়েছে।’
চরভদ্রাসন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী রিপন হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি জানার পর ওসির নির্দেশে পুলিশ দ্রুত ঘাটপাড়ে অবস্থান নেয়, যাতে কেউ বন্যপ্রাণীটিকে আঘাত করতে না পারে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।’
চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুরাইয়া মমতাজ বলেন, ‘বিষয়টি জানার পর বন বিভাগের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্মকর্তাদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে কুমিরটি উদ্ধার করে নিয়ে যাবেন।’