
জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে বরিশালের রহমতপুর এলাকায় অভ্যন্তরীণ রুটের একটি বাসের চালক ও হেলপারকে মারধরের ঘটনা ঘটে। প্রতিবাদে নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বাস চলাচল বন্ধ করে দেন শ্রমিকেরা।
ফলে ঝালকাঠী, পিরোজপুর, বরগুনা ও পটুয়াখালী থেকে রাজধানীসহ সব দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আটকে পড়ে শত শত গাড়ি। এসব জেলার বাস রাজধানীতে যাতায়াত করতে নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকা অতিক্রম করতে হয়।
বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, বাস শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত বাস ধর্মঘট চলবে। তিনি হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
অপরদিকে মাহিন্দ্রা শ্রমিকরা বাস মালিক সমিতির নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে রহমতপুরে লোকাল বাস আটকে বিক্ষোভ করেছে। তারা জানান, বাস শ্রমিকরা মাহিন্দ্রা চালকদের মারধর করে। যাত্রী নামিয়ে রাখেন। তারা নৈরাজ্য বন্ধ না হলে লোকাল বাস চলাচল করতে দেবে না।
এ ব্যাপারে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাখাওয়াত হোসেন বলেন, দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের মধ্যে সমঝোতার কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন।
বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দুই পক্ষের উপস্থিতিতে সভা রয়েছে। টেম্পু ও বাস মালিক-শ্রমিক নেতারা ওই সভায় যোগ দিচ্ছে।
প্রসঙ্গত, সোমবার বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার শিমুলতলা এলাকায় বাস ও মাহিন্দ্রা শ্রমিকদের দ্বন্দ্বের জেরে ৩ ঘণ্টা বাসসহ মহাসড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। ওই ঘটনার জেরে মঙ্গলবার ফের বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন।