1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
বরিশালে কোরবানির পশুতে স্বস্তি - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৮:২০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

বরিশালে কোরবানির পশুতে স্বস্তি

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
  • ৫৪ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক // পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে বরিশাল বিভাগে কোরবানির পশুর পর্যাপ্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার বিভাগজুড়ে চাহিদার তুলনায় প্রায় ৬৮ হাজার পশু বেশি রয়েছে। ফলে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বরিশাল বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানিয়েছে, বিভাগের ৬ জেলায় মোট ৩ হাজার ৯১৫ জন ছোট-বড় খামারির কাছে বর্তমানে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৪৪৫টি কোরবানিযোগ্য পশু প্রস্তুত রয়েছে। এর বিপরীতে সম্ভাব্য চাহিদা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৭৮৩টি পশু। সেই হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকবে ৬৭ হাজার ৬৬২টি পশু।

প্রস্তুত পশুর মধ্যে রয়েছে ২ লাখ ৮৩টি ষাঁড় গরু, ৬৮ হাজার ২৭৮টি বলদ, ৯৮ হাজার ৫টি মহিষ, ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৯০টি ছাগল এবং অন্যান্য পশু ১৫০টি।

জেলাভিত্তিক হিসাবেও দেখা গেছে, বরিশাল বিভাগের প্রতিটি জেলাতেই চাহিদার তুলনায় পশুর সংখ্যা বেশি। বরিশাল জেলায় চাহিদা ১ লাখ ২৬ হাজার ৫৭৯টি হলেও প্রস্তুত রয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৪টি পশু। পটুয়াখালীতে চাহিদা ১ লাখ ১১ হাজার ৬৭৪টির বিপরীতে রয়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৭১৮টি পশু। ঝালকাঠিতে ৩০ হাজার ২৮টি চাহিদার বিপরীতে রয়েছে ৩০ হাজার ৫৮৮টি পশু।

এছাড়া বরগুনায় ৩০ হাজার ১৮২টি চাহিদার বিপরীতে মজুত রয়েছে ৪৩ হাজার ৪২৬টি পশু। ভোলা জেলায় চাহিদা ৮০ হাজার ৭৪৩টি হলেও প্রস্তুত রয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ১৭টি পশু। পিরোজপুরে ২১ হাজার ৫৭৭টি চাহিদার বিপরীতে রয়েছে ২৮ হাজার ৬৫২টি পশু। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর বলছে, গ্রামাঞ্চলে গরু-ছাগল পালনের প্রবণতা বাড়ায় স্থানীয়ভাবে পশু উৎপাদনও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে বিদেশি পশুর ওপর নির্ভরশীলতা কমেছে।

বরিশাল বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মাহফুজুল হক বলেন, স্থানীয় খামারিদের উৎপাদিত পশু দিয়েই এবার কোরবানির চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে। খামারগুলোতে খুরা ও লাম্পি রোগের তেমন কোনো সংক্রমণের খবর পাওয়া যায়নি। তাই পশু সংকটের আশঙ্কা নেই। তবে প্রান্তিক পর্যায়ের কিছু খামারি ও গৃহস্থদের দাবি, গত বছরের মতো এবারও কিছু এলাকায় গরুর সংকট দেখা দিতে পারে। তাদের মতে, লাম্পি ও খুরা রোগে আক্রান্ত হওয়ায় অনেক গৃহস্থ আগেভাগেই গরু বিক্রি করে দিয়েছেন।

এদিকে কোরবানির পশুর কেনাবেচার জন্য বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে ৪০১টি পশুর হাট প্রস্তুত করা হয়েছে। এসব হাটে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করবে ১১৯টি ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানিয়েছে, পশু পরিবহনে নৌ ও সড়কপথে চাঁদাবাজি বন্ধ এবং হাট ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু রাখতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পর্যাপ্ত পশুর সরবরাহ ও প্রশাসনিক তদারকির কারণে এবারের ঈদুল আজহায় বরিশাল বিভাগের পশুর বাজার স্থিতিশীল থাকবে এবং ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই স্বস্তিতে কোরবানির পশু কেনাবেচা করতে পারবেন।

পিএস

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews