1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
ব্র্যান্ডের বস্তায় ভেজাল চাল, ম্যানেজারকে হুমকি - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

ব্র্যান্ডের বস্তায় ভেজাল চাল, ম্যানেজারকে হুমকি

  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২২ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর কল্যাণপুর নতুন বাজার ও ৬০ ফিট পাকা মসজিদ এলাকায় ব্র্যান্ডের নাম ও মনোগ্রাম ব্যবহার করে নিম্নমানের বা ভিন্ন ধরনের চাল বাজারজাতের অভিযোগ উঠেছে দুটি চালের আড়তের বিরুদ্ধে।

অভিযোগের তীর কল্যাণপুর নতুন বাজারের বিক্রমপুর রাইস এজেন্সি এবং ৬০ ফিট পাকা মসজিদ এলাকার বিসমিল্লাহ রাইস এজেন্সির দিকে।

অভিযোগকারীদের দাবি, বাজারে পরিচিত ‘রশিদ মিনিকেট’ চালের মনোগ্রাম ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের সস্তা চাল ওই ব্র্যান্ডের বস্তায় ভরে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে প্রতি বস্তায় ভোক্তার কাছ থেকে অতিরিক্ত কয়েকশ টাকা নেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

প্রতিবেদকের হাতে আসা একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, রশিদ মিনিকেট চালের বস্তায় BRP চালসহ অন্যান্য চাল ভরার কার্যক্রম চলছে। ফুটেজে বিক্রমপুর রাইস এজেন্সির মালিক রফিকুল ইসলাম রুয়েলকে ঘটনাস্থলে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানের মালিকদের নির্দেশেই কর্মচারীরা এ কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিসমিল্লাহ রাইস এজেন্সির মালিক রুবেল মাদবর ও বিক্রমপুর রাইস এজেন্সির মালিক রফিকুল ইসলাম রুয়েল। সিসিটিভি ফুটেজের বিষয়ে তারা দায় আগের ম্যানেজারদের ওপর দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

এদিকে, কথিত অনিয়মের প্রতিবাদ করায় প্রতিষ্ঠান দুটির সাবেক ম্যানেজার মোহাম্মদ হাসান ও মোহাম্মদ আবিরকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চাকরি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক জবানবন্দী নেওয়ার অভিযোগও করেছেন তারা।

ঘটনার বিষয়ে মোহাম্মদ হাসান মিরপুর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, রশিদ মিনিকেট চালের বিক্রয় প্রতিনিধি শহিদুল ও ম্যানেজারের বিরুদ্ধেও এ অনিয়মের বিষয়ে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তবে তাদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এছাড়া নারায়ণগঞ্জ ও ইমামগঞ্জ এলাকার বিভিন্ন কারখানা থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ বস্তা তৈরি করে এসব চাল বাজারজাত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে রশিদ মিনিকেট চাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে সিসিটিভি ফুটেজের বিষয়টি সামনে আসার পর ক্রেতাদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা বিষয়টি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নজরে এনে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা, আর্থিক লেনদেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায় আইনগত তদন্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews