1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
দোয়ারিকা-শিকারপুর সেতুর টোল আদায়ে বড় অঙ্কের অনিয়মের অভিযোগ! - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

দোয়ারিকা-শিকারপুর সেতুর টোল আদায়ে বড় অঙ্কের অনিয়মের অভিযোগ!

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫৪ 0 বার সংবাদি দেখেছে
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":2065488,"total_draw_actions":3,"layers_used":2,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"draw":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

নিউজ ডেস্ক।। 

২০২৪ সালের ৩০ জুন শেষ হয় দোয়ারিকা-শিকারপুর সেতুর আগের ইজারার মেয়াদ। এরপর তিন বছরের জন্য ১০১ কোটি ৩৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকায় নতুন ইজারাদার হিসেবে অনুমোদন পায় চাঁদনী ডিপার্টমেন্টাল স্টোর্স।

কিন্তু নির্ধারিত সময়ে প্রথম কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে না পারায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়। এরপর শুরু হয় সরকারের খাস কালেকশনে সরাসরি টোল আদায়।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দুটি সেতু থেকে প্রতিদিন গড়ে সরকারি কোষাগারে জমা পড়েছে ৫ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।

কিন্তু অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ভিন্ন চিত্র। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিদিন আদায় হয়েছে ১৩ লাখ টাকারও বেশি।

২০২৪ সালের ৩০ জুন থেকে ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে মোট টোল আদায়ের পরিমাণ প্রায় ৯৫ কোটি টাকা বলে দাবি করা হলেও সরকারি কোষাগারে জমা দেখানো হয়েছে প্রায় ৪২ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রায় ৫৩ কোটি টাকার হিসাব নিয়ে উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন।

এই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে বরিশাল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল ইসলামের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ।

দোয়ারিকা সেতু ও শিকারপুর সেতুর টোল আদায় নিয়ে অনিয়মের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের একটি চিঠিতেও উঠে এসেছে বলে জানা গেছে।

এদিকে চলতি বছরের ১২ মার্চ আতিক কনস্ট্রাকশনের অনুকূলে তিন বছরের জন্য ইজারা অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়। সেখানে খাস কালেকশনের হিসাব অনুযায়ী তিন বছরের সম্ভাব্য ইজারা মূল্য ধরা হয় ৬৩ কোটি টাকা।

পরবর্তীতে নবম আহ্বানে ৮৫ কোটি টাকায় কাজটি পায় আতিক কনস্ট্রাকশন—যা খাস কালেকশনের হিসাবের চেয়ে ৩৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ইজারা না দেওয়ায় সরকারের রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ ২২ কোটি টাকার বেশি।

তবে অনুসন্ধানে প্রকৃত আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ আরও অনেক বেশি হতে পারে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এখন প্রশ্ন—দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুর টোল আদায়ের এই বিশাল অঙ্কের অর্থ গেল কোথায়?

অভিযোগের তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবেই মিলতে পারে সেই প্রশ্নের উত্তর।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews