
পান্তল্যান্ডের উপ-তথ্যমন্ত্রী বিলি কাবোসাদে বিবিসিকে জানান, আঞ্চলিক বাহিনী এমটি হোয়ারনার ২৫ জাহাজে অভিযান চালানোর আগেই জলদস্যুরা পাঁচ নাবিককে হত্যা করে। নিহতদের মধ্যে তিনজন পাকিস্তানি, একজন ভারতীয় এবং মিয়ানমারের একজন নাগরিক রয়েছেন বলে জানান তিনি।
এ ঘটনায় আরও চার নাবিক আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজন পাকিস্তানি ও একজন ভারতীয় নাগরিক।
প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ ব্যারেল তেল নিয়ে সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশুর উদ্দেশে যাচ্ছিল জাহাজটি। গত এপ্রিল মাসে সোমালিয়ার উপকূল দিয়ে যাওয়ার সময় ছয় সশস্ত্র ব্যক্তি জাহাজটি ছিনতাই করে।
স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযান চালিয়ে ১৬ জন সন্দেহভাজন জলদস্যুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে কয়েকজন পালিয়ে গেছে এবং তাদের ধরতে অভিযান চলছে।
পান্তল্যান্ডের নিরাপত্তা বাহিনী জলদস্যুদের পালাতে সহায়তা করেছে এমন অভিযোগও নাকচ করেছেন কাবোসাদে। তবে পাঁচ নাবিককে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে বা জলদস্যুরা কীভাবে জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
ছিনতাইয়ের পর জাহাজটি সোমালিয়ার উপকূলের কাছে জাফুন ও বান্দের বেইলা শহরের মধ্যবর্তী এলাকায় নোঙর করে রাখা হয়েছিল।
এপ্রিল মাসে কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, ছিনতাইয়ের সময় জাহাজটিতে মোট ১৭ জন নাবিক ছিলেন। তাদের মধ্যে ১০ জন পাকিস্তানি, চারজন ইন্দোনেশীয়, একজন ভারতীয়, একজন শ্রীলঙ্কান এবং একজন মিয়ানমারের নাগরিক ছিলেন।
২০১১ সালের পর আন্তর্জাতিক নৌবাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের ফলে সোমালিয়ার উপকূলে জলদস্যুতার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ওই অঞ্চলে আবারও জাহাজ ছিনতাই ও জলদস্যুতার ঘটনা বাড়তে শুরু করেছে।