1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
গরুর খুরা-লাম্পি রোগে দুশ্চিন্তায় পটুয়াখালীর খামারিরা - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

গরুর খুরা-লাম্পি রোগে দুশ্চিন্তায় পটুয়াখালীর খামারিরা

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৮ 0 বার সংবাদি দেখেছে

পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় গবাদিপশুর মধ্যে একযোগে ছড়িয়ে পড়েছে খুরা রোগ (ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ) ও লাম্পি স্কিন ডিজিজ। প্রতিদিনই একাধিক গরু আক্রান্ত হওয়ায় দুশ্চিন্তা বাড়ছে খামারি ও গৃহস্থদের মধ্যে। কোথাও কোথাও আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে বাছুরও। চিকিৎসা করিয়েও কাঙ্ক্ষিত সুফল না পাওয়ায় বাড়ছে আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা।

পটুয়াখালী প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত জেলায় খুরা ও লাম্পি রোগে মোট ৮ হাজার ৫৯টি গরু আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছে ৭১৫টি গরু। গত এক মাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ। জেলার মধ্যে পটুয়াখালী সদর, কলাপাড়া, গলাচিপা ও বাউফল উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। রোগের প্রাদুর্ভাবের কারণে আক্রান্ত গাভীর দুধ উৎপাদনও প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। এতে দুধ উৎপাদননির্ভর খামারিরা আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, পটুয়াখালী সদর উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের হাজিখালী গ্রামের ক্ষুদ্র খামারি আল মামুন। প্রায় আট বছর ধরে গড়ে তুলেছেন একটি দুগ্ধ খামার। সেই খামারই এখন তার দুশ্চিন্তার কারণ। কয়েক দিনের ব্যবধানে তার খামারে ছড়িয়ে পড়েছে খুরা রোগ ও লাম্পি স্কিন ডিজিজ। এ পর্যন্ত তার খামারে আক্রান্ত হয়েছে আটটি গরু। এরই মধ্যে হলস্টেইন-ফ্রিজিয়ান জাতের দুটি বাছুর মারা গেছে। আক্রান্ত গরুগুলোকে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রয়োগ করেও আশানুরূপ ফল পাচ্ছেন না বলে দাবি তার। খামারে প্রায় ২০ লাখ টাকা মূল্যের গরু থাকায় রোগের বিস্তার নিয়ে চরম আতঙ্কে রয়েছেন এই খামারি।

খামারি আল মামুন জানান, দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট করে খামারটি গড়ে তুলেছেন। কিন্তু কয়েক দিনের ব্যবধানে একাধিক গরু আক্রান্ত হওয়ায় তিনি আতঙ্কিত। বিশেষ করে দুটি বাছুর মারা যাওয়ার পর অন্য গরুগুলো নিয়েও শঙ্কায় আছেন তিনি।

শুধু আল মামুনের খামার নয়, সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার খামার ও বাড়িতে পালন করা গবাদিপশুর মধ্যেও এসব রোগের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় খামারিরা।

তাদের অভিযোগ, আক্রান্ত পশুকে চিকিৎসা দেওয়ার পরও অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত সুস্থ করা যাচ্ছে না। এতে চিকিৎসা ব্যয়ের পাশাপাশি গবাদিপশু মারা যাওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।

পটুয়াখালীর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, খুরা রোগ ও লাম্পি স্কিন ডিজিজ ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত পশুর দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সুস্থ গবাদিপশুকে নির্ধারিত সময়ে টিকা দেওয়া জরুরি। বিশেষ করে বাছুর আক্রান্ত হলে মৃত্যুঝুঁকি তুলনামূলক বেশি থাকে।

তিনি বলেন, রোগের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে খামার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। আক্রান্ত পশুকে সুস্থ পশু থেকে আলাদা রাখতে হবে এবং নিয়মিত জীবাণুনাশক ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি সময়মতো টিকাদান নিশ্চিত করা গেলে রোগের সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews