1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
নাম আছে তালিকায়, তবু মিলছে না সরকারি চাল - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৪ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

নাম আছে তালিকায়, তবু মিলছে না সরকারি চাল

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
  • ১৮ 0 বার সংবাদি দেখেছে

ভোলা প্রতিনিধি // বঙ্গোপসাগরে ৫৮ দিনের সামুদ্রিক মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা চলাকালে সরকারি খাদ্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ করেছেন ভোলার লালমোহন উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের শতাধিক নিবন্ধিত জেলে। তাদের দাবি, জেলে কার্ড ও মাস্টাররোলে নাম থাকা সত্ত্বেও তারা সরকারি ভিজিএফের চাল পাচ্ছেন না। এতে স্থানীয় জেলেদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় তারা জীবিকার সংকটে পড়েছেন। এ সময়ে জনপ্রতি ৭৭ কেজি করে ভিজিএফের চাল পাওয়ার কথা থাকলেও ইউনিয়নের অনেক প্রকৃত জেলেকে চাল না দিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় জেলে মো. বাবুল বলেন, গত ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি কোনো সরকারি চাল পাননি। তার নামে বৈধ জেলে কার্ড থাকলেও ইউনিয়ন পরিষদে গেলে জানানো হয়, তার কার্ডের চাল আগেই বিতরণ করা হয়েছে। কিন্তু তার চাল কে নিয়েছে, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট উত্তর দেওয়া হয়নি।

একই অভিযোগ করেছেন আলী আহমদ, জহুরুল হক ও রতন মাঝি। তাদের ভাষ্য, আগে নিয়মিত চাল পেলেও এখন আর পাচ্ছেন না। ইউনিয়ন পরিষদে গেলে বলা হচ্ছে, তাদের নামে কোনো বরাদ্দ নেই। সরকারের নিষেধাজ্ঞা মেনে মাছ ধরা বন্ধ রাখলেও সহায়তা না পাওয়ায় পরিবার নিয়ে কষ্টে দিন কাটাতে হচ্ছে বলে জানান তারা।

চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে সুবিধাভোগীদের তালিকা (বেনিফিশিয়ারি লিস্ট) ও মাস্টাররোল দেখতে চেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে গেলেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

লালমোহন উপজেলা মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার বিপরীতে সরকার ৫৭ দিনের খাদ্য সহায়তা দিয়েছে। ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৩ হাজার ৩৫৫ জন হলেও বরাদ্দ এসেছে মাত্র ১ হাজার জেলের জন্য। এর পরিমাণ ৭৭ দশমিক ৩৩ মেট্রিক টন চাল।

ফরাজগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা কামাল বলেন, নিয়ম মেনেই চাল বিতরণ করা হচ্ছে। তবে নিবন্ধিত জেলেদের তুলনায় বরাদ্দ অনেক কম হওয়ায় সবাইকে চাল দেওয়া সম্ভব হয়নি।

লালমোহন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আলী আহমদ আখন্দ বলেন, চাল বিতরণে কিছু অনিয়ম হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ইউনিয়ন পরিষদ থেকেই পাওয়া যাবে।

এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। এ সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews