
নিউজ ডেস্ক।।
খাদ্য অধিদপ্তরে চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আদায়ের একটি অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানে একাধিক অভিযোগকারীর কাছ থেকে ব্যাংক লেনদেনের তথ্য, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের হিসাব, নগদ অর্থ গ্রহণ-সংক্রান্ত নথি এবং অন্যান্য প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, যা বর্তমানে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
অনুসন্ধানে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কর্মচারী জুয়েল মল্লিক এবং তার চাচা ফায়ার সার্ভিসের ড্রাইভার অবৈধ নিয়োগ বানিজ্যের মুকুটবিহীন সম্রাট শাখাওয়াত মল্লিকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ এবং বিভিন্ন কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ উঠে এসেছে। অভিযোগের সমর্থনে ভিডিও, ছবি, কথোপকথন ও ব্যাংক লেনদেনসংক্রান্ত তথ্যও যাচাই করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জুয়েল মল্লিকের বক্তব্য জানতে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগগুলো অস্বীকার করে উল্টো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ তোলেন। এরপর তাকে জানানো হয় যে কথোপকথনটি রেকর্ড করা হচ্ছে। এর কিছুক্ষণ পর তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। তার এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
জানা গেছে, জুয়েল মল্লিকের বাড়ি বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলায়।
বিস্তারিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন শিগগিরই প্রকাশিত হবে।