1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
ঢালাইয়ের পরই সেতুর পাটাতনে ধস, তদন্তে ২ কমিটি - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

ঢালাইয়ের পরই সেতুর পাটাতনে ধস, তদন্তে ২ কমিটি

  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬
  • ১৫ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক // বরিশালের গৌরনদীতে নির্মাণাধীন একটি সেতুর পাটাতন ঢালাইয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভেঙে পড়ার ঘটনায় তদন্তে নেমেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগের একটি তিন সদস্যের তদন্ত দল এবং বরিশাল জেলা প্রকল্প কর্মকর্তার নেতৃত্বাধীন আরেকটি দল।

বরিশালের গৌরনদী উপজেলা প্রকল্প অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন প্রকল্পের আওতায় খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের আহম্মদকাঠী খালের ওপর সেতুটি নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। বরিশালের ডায়নামিক আইসিটি এসপি নামের একটি প্রতিষ্ঠান কাজটি পায়।

২০২৪ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা শেষ হয়নি। পরে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আগের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করে গৌরনদীর ঠিকাদার আবুল ফয়েজ কাজটি শুরু করেন।

চলতি বছরের জুনে সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করে হস্তান্তরের কথা থাকলেও সেটিও সম্ভব হয়নি। পরে চলতি মাসে আবার কাজ শুরু করে সেতুর দুই পাশের পাটাতন ঢালাই দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ কাজের আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়নি। গত বুধবার (২২ জুলাই) সকালে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন গার্ডার সেতুটির মাঝের স্ল্যাবে ঢালাই দেওয়া হয়। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেটি ভেঙে খালের মধ্যে পড়ে যায়।

গৌরনদী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) খোকন চন্দ্র বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ঢালাইয়ের আগে আমাকে জানিয়ে তার উপস্থিতিতে কাজ করার কথা ছিল। কিন্তু না জানিয়েই ঠিকাদার কাজ করেন। বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর রোববার (২৬ জুলাই) উল্লিখিত দুটি তদন্তকারী দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ঠিকাদার আবুল ফয়েজ দাবি করেন, ঢালাইয়ের আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছিল কিন্তু তারা ঘটনাস্থলে আসেননি।

দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিকভাবে ঠিকাদারের গাফিলতির বিষয়টি সামনে এসেছে।

একই ধরনের মন্তব্য করে বরিশাল জেলা প্রকল্প কর্মকর্তা রনজিৎ কুমার সরকার বলেন, স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী ঠিকাদারের অনিয়ম ও অবহেলার কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে এবং এর দায়ভার ঠিকাদারকেই নিতে হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews