
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, সাধারণ চালকে চকচকে করতে পলিশ করছে মিল মালিকরা। তাতে একদিকে চলে যাচ্ছে চালের পুষ্টিগুণ অন্যদিকে দাম ৩-৪ টাকা বেড়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, চালকলে পাঁচ ধরনের পলিশ দেওয়া হয়। মোম পলিশ, স্যালাইন পলিশ, সিল্কি পলিশ এমন নামের। তাতে একদিকে পুষ্টি চলে যায়। অন্যদিকে চালের ঘাটতি হয়। পাশাপাশি বিদুৎ, দামি দামি পলিশ মেশিনের খরচ, ম্যানপাওয়ার অন্যান্য মিলে কেজিপ্রতি ৩-৪ টাকা বাড়তি খরচ হয়। সেই খরচ ধরেই চকচকে পলিশ চালের দাম নির্ধারণ করে মিল মালিকরা। সেটা গুনতে হচ্ছে ভোক্তাকে।
এ সময় তিনি জনগণকে চকচকে চাল বর্জন করে পুষ্টিগুণ সম্পন্ন চাল খাওয়ার আহ্বান জানার খাদ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার পুষ্টিনিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। অষ্টমপঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা থেকে শুরু করে আরও যে নীতিগুলো আছে তার সবগুলোতেই পুষ্টি নিশ্চিত করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। খাদ্যাভ্যাসের কারণে মানুষ চকচকে চাল খাচ্ছে। সেজন্য বিদেশ থেকে পুষ্টি এনে দিতে হচ্ছে চালে। বাংলাদেশের জন্য এটি দুখজনক। অর্থিক সংগতি বাড়লে চকচকে চাল খেতে হবে, এ ব্যস্ততা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পুষ্টিচাল যেন সাধারণ মানুষ বাজার থেকে ক্রয় করতে পারে সেজন্য পুষ্টিচাল উৎপাদন ও বাজারজাত করার জন্য বেসরকারিভাবে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ও চালকল মালিকদের উদ্যোগী হওয়া প্রয়োজন। তাদের উদ্যোগ ও বিনিয়োগ ছাড়া পুষ্টিচাল ভোক্তা পর্যায়ে সহজলভ্য করা সম্ভব হবে না।
এ সময় তিনি বেসরকারি চাল ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ও চালকল মালিকদের পুষ্টিচাল উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে উদ্যোগী হওয়ার এবং দাম ভোক্তার নাগালের মধ্যে রাখার আহ্বান জানান।
Leave a Reply