1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
রোনালদো-এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে দ্রুততম ৩০০ হলান্ডের - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

রোনালদো-এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে দ্রুততম ৩০০ হলান্ডের

  • প্রকাশিত : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৩ 0 বার সংবাদি দেখেছে
স্পোর্টস ডেস্ক // নতুন চেহারার ম্যানচেস্টার সিটি, কিন্তু আর্লিং হলান্ড যেন সেই পুরোনো ছন্দেই। নরওয়ের এই তারকা ফরোয়ার্ড ক্লাব ফুটবলে নিজের ৩০০তম গোলের মাইলফলক ছুঁয়েছেন। তার গোলেই শনিবার কোভেন্ট্রিকে ১-০ গোলে হারিয়ে শতভাগ জয়ের ধারা ধরে রেখেছে ম্যানচেস্টার সিটি। একই সঙ্গে ইংলিশ শীর্ষ লিগের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থানও ধরে রেখেছে তারা।

হলান্ডের ৩০০ গোল এসেছে মোল্ডে, সালজবুর্গ, বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ও ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে খেলার সময়। মাত্র ৩৮৪ ম্যাচেই এই মাইলফলকে পৌঁছেছেন তিনি। আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি লিওনেল মেসি ৩৬৫ ম্যাচে ৩০০ গোল করেছিলেন। তবে হলান্ড ছাড়িয়ে গেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পেকে, যিনি ৩৯৮ ম্যাচে এবং ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে, যিনি ৪৯৯ ম্যাচে এই কীর্তি গড়েছিলেন।

নতুন কোচ এনজো মারেস্কার অধীনে দলকে ঢেলে সাজাতে ৪৫০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি খরচ করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। তবে দলটির সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে আছেন হলান্ডই।

২৬ মিনিটে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে তার হেড থেকেই আসে ম্যাচের একমাত্র গোল। সদ্য শীর্ষ লিগে উঠে আসা কোভেন্ট্রির বিপক্ষে ওই গোলেই জয় নিশ্চিত হয়। একই সঙ্গে পেপ গার্দিওলার উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া মারেস্কার নিখুঁত শুরুর ধারাও অক্ষুণ্ন থাকে।

ম্যাচ শেষে হলান্ড জানান, আরও গোল করে দলের কাজটা সহজ করে দিতে পারতেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘ম্যাচ শেষ করে দেওয়ার জন্য আমার আরও গোল করা উচিত ছিল। কিন্তু তা পারিনি। ফলে দলের জন্য কাজটা কঠিন হয়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত কোভেন্ট্রিকে ম্যাচে টিকে থাকার সুযোগ দিয়েছি। এই লিগে সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলে কাজটা কঠিন হয়ে যায়।’

দুই ম্যাচে তৃতীয় গোল করে নিজের দুর্দান্ত ছন্দও ধরে রেখেছেন হালান্ড। তার এমন পারফরম্যান্স মারেস্কার দায়িত্বও অনেকটা সহজ করে দেবে।

মারেস্কা বলেন, ‘এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি জয়। প্রথম দুটি ম্যাচের চেয়ে এই ম্যাচটি ছিল ভিন্ন। আমি খুব খুশি। প্রতিদিন আমি খেলোয়াড়দের আরও ভালোভাবে চিনছি, তারাও একে অপরকে বুঝতে শিখছে। এর অর্থ আমরা দিনে দিনে আরও ভালো হয়ে উঠব।’

গার্দিওলার পরবর্তী সময়েও ম্যানচেস্টার সিটির বড় অঙ্কের খরচ থামেনি। দলবদলের শেষ দিন পর্যন্ত তারা এনজো ফার্নান্দেজ ও ইলিমান দিয়াবেকে দলে ভেড়ায়। কোভেন্ট্রির বিপক্ষে দুজনই একাদশে ছিলেন। তাদের সঙ্গে গ্রীষ্মের আরেক বড় অঙ্কের নতুন খেলোয়াড় এলিয়ট অ্যান্ডারসনও শুরু থেকে মাঠে নামেন।

হলান্ড বলেন, ‘আমরা এমন অনেক খেলোয়াড়কে দলে এনেছি, যারা এই পর্যায়ের ফুটবল সম্পর্কে জানে। এনজো ফার্নান্দেজ জানে কীভাবে শিরোপা জিততে হয় এবং এই লিগে খেলতে হয়। সে সরাসরি দলে জায়গা করে নেবে। এলিয়টও তাই। সে দীর্ঘদিন এই লিগে খেলেছে, জাতীয় দলের হয়েও খেলেছে। তাই বড় একটি দলের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা তার আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের এখন একসঙ্গে কিছু গড়ে তুলতে হবে। নতুন খেলোয়াড়েরা যেন নিজেদের যতটা সম্ভব আপন মনে করে, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। আমি যখন ম্যানচেস্টার সিটিতে এসেছিলাম, তখনও আমাকে সবাই একইভাবে স্বাগত জানিয়েছিল। আমি সরাসরি দলে এসে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছিলাম। ভালো খেলোয়াড়দের কাছ থেকে সেটিই প্রত্যাশা করা হয়।’

বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্সেনালের চেয়ে ৩ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। রোববার চেলসির বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্সেনাল।

দিয়াবে বলেন, ‘জয় দিয়ে শুরু করতে পেরেছি। এর চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে!’

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews