1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
হিমাদ্রী হত্যা: ৩ জনের ফাঁসি বহাল, খালাস ২ - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

হিমাদ্রী হত্যা: ৩ জনের ফাঁসি বহাল, খালাস ২

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৬০ 0 বার সংবাদি দেখেছে
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি // চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত পাঁচলাইশে ১০ বছর আগে কলেজ ছাত্র হিমাদ্রি মজুমদারের পেছনে কুকুর লেলিয়ে ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির আপিলের রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রায়ে তিন আসামির ফাঁসি বহাল এবং দুই আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।

 

বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

যে তিন জনের ফাঁসি বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট তারা হলেন-রিয়াদ, শাওন ও ড্যানি। সেই সঙ্গে খালাস পাওয়া দুইজন হচ্ছেন সাজু ও টিপু।

এর আগে ২০১৬ সালের ১৪ আগস্ট হিমাদ্রি হত্যার দায়ে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন চট্টগ্রামের একটি আদালত।

পাঁচলাইশ এলাকার একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের এ-লেভেলের পরীক্ষার্থী ছিল হিমাদ্রি। হিমাদ্রি মাদকবিরোধী সংগঠন শেকড়ের সক্রিয় সদস্য ছিল। এ নিয়ে প্রধান আসামি শাহ সেলিম টিপুর ছেলে রিয়াদের সাথে তার বিরোধ।

এ বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালের ২৭ এপ্রিল নগরীর পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকায় শিল্পপতি শাহ সেলিম টিপুর ‘ফরহাদ ম্যানশন’ নামের ১০১ নম্বর বাড়ির ছাদে হিমুকে একটি কক্ষে আটকে রেখে জার্মানির তিনটি হিংস্র কুকুর ছেড়ে দেয়া হয়।

হিংস্র কুকুরের আক্রমণে রক্তাক্ত হিমুকে ফেলে দেয়া হয় চারতলার ছাদ থেকে। ঢাকা এবং চট্টগ্রামের দু’টি হাসপাতালে টানা ২৬ দিন যন্ত্রণা শেষে ২৩ মে মৃত্যুবরণ করে হিমু। এ ঘটনায় তার মামা শ্রীপ্রকাশ দাশ বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন।

একই বছরের ৩০ অক্টোবর পুলিশ পাঁচজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। ২০১৪ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের মহানগর দায়রা জজ এসএম মজিবুর রহমান এ মামলায় পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

২০১৪ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। কিন্তু মামলায় ছয় জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেয়ার পর ২০১৪ সালের ২১ জুলাই এক আসামির করা আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলায় ছয় মাসের স্থগিতাদেশ দেন হাইকোর্টের বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও জাফর আহমদের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ। ওই স্থগিতাদেশের অনুলিপি ২০১৪ সালের ৪ আগস্ট চট্টগ্রাম আদালতে পৌঁছালে মামলাটির বিচার কাজ থেমে যায়।

এরপর ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট উচ্চ আদালতের একই বেঞ্চ তাদের দেয়া ছয় মাসের ওই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে। সেই আদেশের অনুলিপি ২০১৪ সালের ১৮ আগস্ট চট্টগ্রাম আদালতে এসে পৌঁছায়।

এরপর ২০১৪ সালের ২৭ আগস্ট চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক রেজা তারিক আহমেদের আদালতে আবার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ট্রাইব্যুনালে অভিযোগপত্রে উল্লেখিত ২১ জন সাক্ষীর মধ্যে ২০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

কিন্তু নির্ধারিত সময়ে বিচার শেষ না হওয়ায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের আগে ২০১৫ সালের ১৯ মার্চ মামলাটি চতুর্থ মহানগর দায়রা জজ আদালতে স্থানান্তর হয়ে যায়। ওই আদালতে বিচারক পদ ছিল শূণ্য। পাঁচ মাস পর ২০১৫ সালের ২৭ আগস্ট ওই আদালতে নতুন বিচারক যোগ দেন। এরপর ১০ সেপ্টেম্বর হিমু হত্যা মামলায় যুক্তি উপস্থাপন শুরু করে রাষ্ট্রপক্ষ।

পাঁচটি নির্ধারিত দিনে যুক্তি উপস্থাপন করে ২০১৫ সালের ১৯ অক্টোবর রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ হয়। এরপর ১ নভেম্বর আসামি শাহ সেলিম টিপুর আইনজীবী যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন।

এরপর ২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মোট ৩২ কার্যদিবস যুক্তি উপস্থাপন করেন মামলার পাঁচ আসামির আইনজীবী। ১৬ জুলাই মামলার রায় ঘোষণা করতে ২৮ জুলাই সময় নির্ধারণ করেন আদালত।

কিন্তু ওইদিন বিচারক ছুটিতে থাকায় রায় ঘোষণা করা হয়নি। এরপর ১১ আগস্ট রায় ঘোষণার দ্বিতীয় দিন ধার্য করা হয়। ১১ আগস্ট চট্টগ্রাম আদালতে ‘ফুল কোর্ট রেফারেন্স’ থাকায় রায় ঘোষণা করা হয়নি। এরপর ১৪ আগস্ট রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেন এবং হিমাদ্রি মজুমদার হিমুকে হত্যার দায়ে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। নিয়ম অনুসারে মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য নথি হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি আসামিরা জেল আপিল করেন। আজ আপিলের রায়ে তিন আসামির ফাঁসি বহাল ও দুই আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews