1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে নিহত ১৯ - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪৯ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে নিহত ১৯

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ১০ 0 বার সংবাদি দেখেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক // যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজায় শান্তি ও নিরাপত্তার পথে ‘গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ হিসেবে নতুন একটি পরিকল্পনা ঘোষণা করলেও ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ রোববার (২ আগস্ট) ভোর থেকে গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বিমান ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে একদিনে এটিই সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা।

গাজা সিটির পশ্চিমাঞ্চলের আল-সুসি টাওয়ারে একটি আবাসিক ভবনে বিমান হামলায় আবদুল্লাহ আবু তাইফ (৩৩), তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আবির আনান (২৯) এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে আজ্জাম নিহত হন। আল-শিফা হাসপাতাল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

খান ইউনিস শহরের উত্তর-পশ্চিমে আল-কারারা এলাকায় একটি বাড়িতে হামলায় আল-হামস পরিবারের তিন সদস্য মাহমুদ আল-হামস (৩৮), তার স্ত্রী ফাতিমা (৩৭) ও তাদের কন্যাশিশু নিহত হন। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন।

মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকায় নিজ বাড়িতে হামলায় কামাল আবু মুয়াইলিক (৬৮) ও তার স্ত্রী হুদা আবু মুয়াইলিক (৫৯) নিহত হন। একই এলাকায় মোটরসাইকেলে থাকা দুই ভাইও পৃথক হামলায় প্রাণ হারান।

এ ছাড়া উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে একজন, আল-মাওয়াসি এলাকায় একটি তাঁবুতে হামলায় একজন এবং গাজা সিটির পশ্চিমাঞ্চলের রেমাল এলাকায় বাস্তুচ্যুতদের তাঁবুতে ড্রোন হামলায় দুইজন নিহত হন। গাজা সিটিতে একটি গাড়িতে হামলায় আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

এর আগে শনিবার দেইর আল-বালাহর আল-আকসা শহীদ হাসপাতালের ওষুধের গুদামে হামলা চালায় ইসরায়েল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ বলেন, ওষুধের মজুত ধ্বংস করে ‘চিকিৎসা ও রোগকেই যুদ্ধের অস্ত্রে’ পরিণত করা হচ্ছে। হামলায় দুটি গুদাম পুরোপুরি ধ্বংস এবং আরও দুটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আলজাজিরার প্রতিবেদক মোয়াথ আল-কাহলুত জানান, হামলার মাত্র ১৫ মিনিট আগে ওই এলাকা থেকে এসব জিনিস সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। বিস্ফোরণে বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়স্থল তাঁবুগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং নতুন করে বহু মানুষ এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন।

এদিকে ট্রাম্প ও গাজা শান্তি পরিকল্পনা তদারককারী ‘বোর্ড অব পিস’ শুক্রবার যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপ বাস্তবায়নের বিষয়ে একটি সমঝোতার ঘোষণা দেয়। বোর্ডের দাবি, হামাস এ-সংক্রান্ত বিস্তারিত রোডম্যাপ মেনে নিয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি ইসরায়েল।

অন্যদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের মুখপাত্র ডরন স্পিলম্যান বলেন, হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে না ইসরায়েল। একই সঙ্গে দেশটি গাজায় সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার নিশ্চয়তাও চেয়েছে বলে জানা গেছে।

হামাস অভিযোগ করেছে, যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন ঠেকাতেই ইসরায়েল হামলা জোরদার করেছে। সংগঠনটি মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর প্রতি ইসরায়েলের ওপর চাপ প্রয়োগ করে হামলা বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews