1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
বরিশাল মুক্ত দিবসে শহীদদের স্মরণ - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন: নদী, ইতিহাস ও সভ্যতার হাজার বছরের সাক্ষী প্রতিশ্রুতির চেয়ে বেশি করার চেষ্টা করব: প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান আগৈলঝাড়ায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ ব্যক্তি গ্রেপ্তার  গৌরনদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই শতাধিক কর্মী-স্বেচ্ছাসেবীর পরিচ্ছন্নতা অভিযান বরিশালে ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই ভাই আটক। ইলিশের রাজ্যেও ভরা মৌসুমে ইলিশের আকাল, প্রশ্নের মুখে মৎস্য বিভাগের নজরদারি বরিশালে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ, নারী-পুরুষে চ্যাম্পিয়ন কোতোয়ালি ও কাউনিয়া মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, কাউনিয়ায় তৎপর ওসি সনজিত বরিশালে গুরুদেবের ১০৩তম আবির্ভাব তিথি ও রাধাষ্টমী উদযাপন বাংলাবাজারে অবহেলিত শেরেবাংলা স্পোর্টিং ক্লাব সংস্কারের উদ্যোগ

বরিশাল মুক্ত দিবসে শহীদদের স্মরণ

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৫৮২ 0 বার সংবাদি দেখেছে

এরপর পর্যায়ক্রমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বরিশাল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীর, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস, বিভাগীয় কমিশনার আমিন উল আহসান,  বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ছাদেকুল আরেফিন, ডিআইজি এসএম আক্তারুজ্জামান, পুলিশ কমিশনার সাইফুল ইসলাম ও জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন।

একই স্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বরিশাল জেলা ও মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড, বরিশাল মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন দপ্তর প্রধান এবং সামাজিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

১৯৭১ সালের এই দিনে দখলদার পাক বাহিনী অগ্রসরমান মুক্তিযোদ্ধাদের ভয়ে এ শহর থেকে ডেরা গুটিয়ে পালিয়ে যায়। ৭ ডিসেম্বর বিকাল ৪টা থেকে বরিশালে কারফিউ জারী করেছিল পাকবাহিনী। সীমান্তে মিত্র বাহিনী আক্রমণ শুরু করার পর ৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যা থেকেই পাক সেনারা বরিশাল ত্যাগের প্রস্তুতি গ্রহণ করে।

বরিশাল শহর কেন্দ্রীক বিভিন্ন সড়ক পথ চারদিক থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ায় হানাদাররা নৌ-পথে পালাবার পরিকল্পনা করে। এ উদ্দেশ্য যাত্রীবাহী স্টিমার ইরানী, কিউইসহ লঞ্চ ও কার্গো বরিশাল স্টিমার ঘাটে প্রস্তুত রাখা হয়। এসব নৌযানে করেই পাকিস্তানী সেনাবাহিনী, পাক মিলিশিয়াসহ শহরের দালাল ও রাজাকার কমান্ডাররা বরিশাল ত্যাগ করে। পাক সেনাবাহিনীর নৌযানগুলো একাংশ চাঁদপুরের কাছে মেঘনা মোহনায় ভারতীয় মিত্র বাহিনীর বিমান হামলার কবলে পড়ে এবং কিউই জাহাজসহ গানবোড ও কার্গো ধ্বংস হয়।

অপর অংশ বরিশালের কদমতলা নদীতে ভারতীয় বিমানের বোমার আঘাতে পাকবাহিনীসহ নৌযানগুলো নিমজ্জিত হয়। ফলে এসব জাহাজে পলায়নরত সকল পাক সেনা, মিলিশিয়া, রাজাকার কমান্ডার ও দালালরা নিহত হয়। পাক বাহিনীর শহর ত্যাগের খবরে ৮ মাস ধরে অবরুদ্ধ বরিশালের মুক্তিকামী মানুষ বিজয়ের আনন্দে শ্লোগান দিয়ে দলে দলে রাস্তায় নেমে আসে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews