1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
আমি কারও জমি দখল করিনি: কাফি - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০২:১২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

আমি কারও জমি দখল করিনি: কাফি

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬
  • ১৯ 0 বার সংবাদি দেখেছে

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রেকর্ডভুক্ত জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করেছেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নুরুজ্জামান কাফি।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে কলাপাড়া সিক্স লেন মহাসড়ক সংলগ্ন সংশ্লিষ্ট জমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন। এ সময় জমির দাবিকৃত মালিক পক্ষের ওয়ারিশরাও উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে নুরুজ্জামান কাফি বলেন, কয়েক বছর আগে তিনি সিক্স লেন সড়কের পাশে ৩০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। তবে ওই জমিতে যাওয়ার কোনো রাস্তা না থাকায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিমের কাছে রাস্তার জন্য কিছু জায়গা চেয়ে অনুরোধ করেন। প্রধান শিক্ষক তাকে জানান, বিদ্যালয়ের জমি বিক্রি বা হস্তান্তরের এখতিয়ার তার নেই।

পরে তিনি জানতে পারেন, ওই জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আদালতে চলা মামলায় দাবিকৃত মালিক পক্ষ ৩টি আদালতের রায় পেয়েছেন। এরপর তিনি তাদের কাছ থেকে ৬ শতাংশ জমি বায়না চুক্তির মাধ্যমে ক্রয় করে দখল বুঝে নিয়ে সেখানে যাতায়াতের রাস্তা নির্মাণ করেন।

কাফি বলেন, ‘আমি কারও জমি দখল করিনি। প্রকৃত মালিকদের কাছ থেকে জমি বায়না করে রাস্তা করেছি। রাস্তা নির্মাণের পর স্কুলের প্রধান শিক্ষক আমার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন, যাতে আমার এবং আমার দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’

জমির দাবিকৃত মালিক সালাউদ্দিন নয়ন পাহলান বলেন, ‘কাফি কোনো জমি দখল করেননি। প্রায় ৩০ বছর ধরে চলা মামলায় আমরা আদালতের রায় পেয়েছি। পটুয়াখালী আদালত ও পরবর্তীতে উচ্চ আদালত আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এরপর কাফির যাতায়াতের সুবিধার জন্য ৬ শতাংশ জমি বায়না চুক্তির মাধ্যমে তার কাছে হস্তান্তর করা হয়। আদালতের রায় অনুযায়ী জমির প্রকৃত মালিক আমরা।’

তবে এ বিষয়ে খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম বলেন, ‘বিতর্কিত জমিটি বিদ্যালয়ের ক্রয়কৃত সম্পত্তি এবং দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের দখলে রয়েছে। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন নুরুজ্জামান কাফি জোরপূর্বক জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণ করেছেন।’

প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আদালতেই বিষয়টি বলবেন বলে মন্তব্য করেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন সময়ে ক্রয়ের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির নামে মোট ৪০ একর ৬৪ শতাংশ জমি রয়েছে। এর মধ্যে রজপাড়া মৌজার বিএস ১২ নম্বর খতিয়ানের ২১ একর ৭৬ শতাংশ জমির খাজনা ১৪৩২ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত পরিশোধ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের পর সরকারি বিধি অনুযায়ী এসব জমি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের নামে হস্তান্তর করা হয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, সম্প্রতি ওই জমির ৬ শতাংশ অংশে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে।

এদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, সিক্স লেন সড়ক নির্মাণের সময় বিদ্যালয়ের কিছু জমি অধিগ্রহণ বাবদ প্রাপ্ত অর্থের ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক জানান, বিদ্যালয়ের নামে প্রায় ৪৪ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে এবং তা বিদ্যালয়ের ব্যাংক হিসাবেই সংরক্ষিত রয়েছে।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুজ্জামান বলেন, বিষয়টি তার জানা রয়েছে। এ নিয়ে আদালতে একটি রিট পিটিশন দায়ের হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে প্রাথমিকভাবে তিনি জানতে পেরেছেন, সংশ্লিষ্ট জমি বিদ্যালয়ের নামে বিএস রেকর্ডভুক্ত রয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews