1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা, আটক ৩ - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা, আটক ৩

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬
  • ২২ 0 বার সংবাদি দেখেছে
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি // কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর আলমকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা। তাদের হামলায় এ সময়গুরুতর আহত হয়েছেন হাদিস নামে জাহাঙ্গীরের এক সঙ্গী। ঘটনায় জড়িদ থাকার সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের ঢাকা থেকে ভাড়া করে আনা হয়েছিল বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১০টার দিকে মিঠামইন সদর বেড়িবাঁধ এলাকায় নিজ বাসভবনের সামনে এস এম জাহাঙ্গীর আলম ও তাঁর সঙ্গী হাদিসের ওপর চাপাতি নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। পরে গুরুতর জখম অবস্থায় তাদের মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত তাদেরকে কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে মারা যান জাহাঙ্গীর আলম।

জাহাঙ্গীর আলম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ফজলুর রহমানসহ জেলা ও মিঠামইন উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান । সেখানে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে জাহাঙ্গীর আলমের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি খুনীদের দ্রত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন।

আটক তিনজন

পরে পুলিশ তিন ‘পেশাদার খুনি’কে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানিয়েছে, আটকরা ভাড়াটে অপরাধী চক্রের সদস্য। তারা হলেন বরগুনার বামনা উপজেলার চালিতাবুনিয়ার মো. সোহেল, লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার দুধরাজপুরের মো. মহিন উদ্দিন (৩২) এবং একই উপজেলার মধ্যপাড়া নাগমুদ বাজার এলাকার মো. শাকিল হোসেন ওরফে শাহীন (২৫)। তাদের কাছ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত একটি চাপাতি জব্দ করা হয়েছে। বর্তমানে তাদের থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।

এসপি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, অপরাধী যেই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কারা রয়েছে তা উদ্ঘাটনে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।”

​তিনি বলেন, বর্তমানে এ সংক্রান্তে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে। পুরো এলাকায় জেলা পুলিশের কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত আছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews