1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
নির্মাণের পরই সেতুর উইংওয়ালে ধস, ৩ মাসেও সংস্কার নেই - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

নির্মাণের পরই সেতুর উইংওয়ালে ধস, ৩ মাসেও সংস্কার নেই

  • প্রকাশিত : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২১ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক // পটুয়াখালীর বাউফলে নির্মাণাধীন একটি সেতুর উইংওয়াল ধসের তিন মাস পেরিয়ে গেলেও সংস্কার করা হয়নি। সেতুর অপর প্রান্তের উইংওয়ালেও দেখা দিয়েছে ফাটল। পাশাপাশি অসম্পূর্ণ রয়েছে সংযোগ সড়কে মাটি ভরাট, ইটের সোলিং ও রঙের কাজ। অথচ প্রকল্পটির প্রায় ৯০ শতাংশ বিল ইতোমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সেতুটি উপজেলার সূর্যমণি ইউনিয়নের নুরাইনপুর-রামনগর এলাকায় রাজায় বিশ্বাসের বাড়ির কাছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন নুরাইনপুর খালের ওপর নির্মাণ করা হয়েছে। গত ৬ জুলাই সেতুটির পশ্চিম প্রান্তের উত্তর পাশের উইংওয়াল ধসে পড়ে। এরপর তিন মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি সংস্কার করা হয়নি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ কর্মসূচির আওতায় ১ কোটি ১৬ লাখ ৪৮ হাজার ১৭৯ টাকা ব্যয়ে ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের গার্ডার সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পটির তদারকির দায়িত্বে রয়েছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুর পশ্চিম প্রান্তের উত্তর পাশের উইংওয়াল ধসে পড়েছে। পূর্ব প্রান্তের দক্ষিণ পাশের উইংওয়ালেও ফাটল রয়েছে। সংযোগ সড়কে পর্যাপ্ত মাটি ভরাট না করায় সেখানে কাঁদামাটি জমেছে। ইটের সোলিং ও রঙের কাজও শেষ হয়নি। ফলে সেতু ব্যবহার করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। কাঁদামাটির ওপর কাঠের তক্তা ফেলে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন তারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সেতুটি নির্মাণের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রুকাইয়া ট্রেডার্সকে ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল কার্যাদেশ দেওয়া হয়। ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারির মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও সেতুর সব কাজ শেষ হয়নি। এর মধ্যে গত ৬ জুলাই উইংওয়াল ধসে পড়লেও ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কার এবং অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. বাদল বলেন, সেতুর উইংওয়াল ধসে পড়া এবং সংযোগ সড়কের কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় এলাকার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। কাঁদামাটির ওপর কাঠের তক্তা ফেলে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। সেতুর পশ্চিম পাশে একটি বড় বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়িতে গাড়িতে করে মালামাল নিতে হলে প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার পথ ঘুরে যেতে হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার এবং যথাযথ তদারকির অভাবে সেতুটির এ অবস্থা হয়েছে। তাদের দাবি, সেতুর নিচে যথাযথভাবে সেন্টারিং না করায় বিম নিচের দিকে ঝুলে গেছে। নির্মাণকাজের ত্রুটির কারণেই উইংওয়াল ধসে পড়েছে বলে তারা মনে করছেন।

জানা গেছে, মেসার্স রুকাইয়া ট্রেডার্সের মালিক মেহেদী হাসানের কাছ থেকে কাজটি নিয়ে বাস্তবায়ন করছেন স্থানীয় রফিকুল ইসলাম মেম্বার। তিনি বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিকের কাছ থেকে কাজটি কিনে তিনি করছেন। সেতুর কাজে যেসব ত্রুটি রয়েছে, সেগুলো ঠিক করে দেওয়া হবে। তবে তার এ আশ্বাসের তিন মাস পরও ক্ষতিগ্রস্ত উইংওয়াল সংস্কার ও সেতুর বাকি কাজ শেষ হয়নি।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নুরাইনপুর বিশ্বাস বাড়ির কাছে সেতুর উইংওয়াল ধস, সংযোগ সড়কে মাটি ভরাট, ইটের সোলিং ও রঙের কাজ এখনো শেষ হয়নি। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews