1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
ভোলায় বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, হাসপাতালে রোগীর ভিড় - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৯ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

ভোলায় বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, হাসপাতালে রোগীর ভিড় 

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৯ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক // ভোলার লালমোহন উপজেলায় ক্রমেই বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। শিশু থেকে বৃদ্ধ, কেউই রেহাই পাচ্ছেন না মশাবাহিত এ রোগের ছোবল থেকে। প্রতিদিনই জ্বর ও ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা।

গত দেড় মাস ধরে উপজেলাটিতে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দিলেও চলতি মাসের প্রথম ১০ দিনেই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ২৪ জন রোগী। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছিলেন ৪৩ জন।

অপরদিকে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগেও প্রতিদিন ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ছুটে যাচ্ছেন অনেকে। বহির্বিভাগের মেডিকেল অফিসার (ইউনানি) ডা. মো. ইউসুফ হোসেন জানান, প্রতিদিনই ডেঙ্গু উপসর্গ নিয়ে অনেক রোগী আসছেন। অনেকে অসচেতন হওয়ায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে চান না। তবে যারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাচ্ছেন তাদের প্রতি ১০ জনের ভেতর অন্তত ৫ জনেরই ডেঙ্গু শনাক্ত হচ্ছে। যাদের শারীরিক অবস্থা ভালো তাদের আমরা বহির্বিভাগ থেকেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছি, আর যাদের শারীরিক অবস্থা খারাপ তাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তির পরামর্শ দেওয়া হয়।

এদিকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মোসা. সুরমা বেগম (৩০)। তিনি বলেন, প্রথমে হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হই। এরপর স্থানীয় ফার্মেসি থেকে ওষুধ খাই। সপ্তাহখানেক পরও জ্বর না কমায় শরীর প্রচণ্ড দুর্বল হয়ে পড়ায় উপজেলা সদরে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাই। তখন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় আমার ডেঙ্গু শনাক্ত হয়।

এছাড়া, ৫০ শয্যা বিশিষ্ট লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে বর্তমানে হাম, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েও ভর্তি হচ্ছেন অনেক রোগী। চলতি মাসের প্রথম ১০ দিনে হামে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ১৯ জন রোগী। সেপ্টেম্বর মাসে ৪৪ জন রোগী হামে আক্রান্ত হয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নেন। একই মাসে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ১২১ জন রোগী ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ১৮১ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।

এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. আবু মাহমুদ তালহা সাদী বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক-নার্সের সংকট থাকলেও আমরা রোগীদের সেবা দিচ্ছি। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সব সময় সব ধরনের ওষুধ মজুত থাকে না। তবে যেসব ওষুধের মজুত রয়েছে তা প্রয়োজন মতো রোগীদের বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে। তবুও যদি কোনো ওষুধের ঘাটতি থাকে, তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ড্রাম, টায়ার ও অন্যান্য স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। দিনে ও রাতে মশার কামড় থেকে রক্ষা পেতে মশারি, মশা প্রতিরোধক এবং শরীর ঢেকে রাখে- এমন পোশাক ব্যবহার করতে হবে। জ্বর হলে অবহেলা না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বিশেষ করে তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, রক্তপাত, অতিরিক্ত দুর্বলতা বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসতে হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews