
তমা তুঙ্গীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি অনেক পর্যটক ঘুরে দেখছেন থানচির নাফাখুম, আমিয়াখুমসহ বিভিন্ন ঝরনা ও পাহাড়ি পর্যটনকেন্দ্র। টানা ছুটিকে ঘিরে পর্যটকদের উপস্থিতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় গাইড, চাঁদের গাড়ির চালক ও আবাসন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা পর্যটক মাহি বলেন, আমি দ্বিতীয়বারের মতো থানচিতে ঘুরতে এসেছি। যতবারই আসি, ততবারই থানচির সৌন্দর্য আরও বেশি মুগ্ধ করে। আগে তমা তুঙ্গী এলাকায় থাকার ভালো ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমানে তমা তুঙ্গীর পাশে সুন্দর একটি রিসোর্ট গড়ে উঠেছে। প্রকৃতির কাছাকাছি এমন মনোরম পরিবেশে থাকার অভিজ্ঞতা সত্যিই দারুণ।
থানচি গাইড সমিতির সভাপতি জয় মারমা বলেন, এবারের টানা ছুটিতে আমাদের গাইডরা বেশ ব্যস্ত সময় পার করেছেন। পর্যটকদের অনেকেই দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নেটওয়ার্কের বাইরে চলে যাচ্ছেন। দীর্ঘদিন পর গাইডদের কাজের সুযোগ বেড়েছে, এতে তাদের কর্মসংস্থানেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
তমা তুঙ্গী রিসোর্টের ম্যানেজার মো. মোস্তাফিজ বলেন, আমাদের রিসোর্টের কক্ষগুলো এক মাস আগেই বুকিং হয়ে গিয়েছিল। পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ অবস্থান ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে আমরা সব সময় প্রস্তুত রয়েছি।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, থানচির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঝরনা ও পাহাড়কেন্দ্রিক পর্যটনের পাশাপাশি উন্নত আবাসনব্যবস্থা গড়ে উঠলে এ অঞ্চলে পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়বে। এতে স্থানীয় গাইড, পরিবহনচালক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ পর্যটননির্ভর বিভিন্ন পেশার মানুষের কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।
তবে থানচির পর্যটনশিল্পকে আরও এগিয়ে নিতে পর্যটকদের নিরাপত্তা, পরিবেশ সংরক্ষণ, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং দায়িত্বশীল পর্যটন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।