1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
শ্যালিকার নামে সারের ডিলারশিপ পেতে ‍ইউপি সদস্য দুলাভাইয়ের কারসাজি - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৪ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

শ্যালিকার নামে সারের ডিলারশিপ পেতে ‍ইউপি সদস্য দুলাভাইয়ের কারসাজি

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৩ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার আলিমাবাদ ইউনিয়নে ভুয়া ট্রেড লাইসেন্স এবং তথ্য গোপন করে সারের ডিলারশিপ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। ডিলারশিপ নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি নিজের এবং স্বামীর নামে থাকা পৃথক ডিলারশিপের তথ্য গোপন করেছেন। অভিযোগ উঠেছে, জালিয়াতি করে শ্যালিকার নামে ডিলারশিপ আনতে সহযোগিতা করেছেন তার দুলাভাই।

 

জানা গেছে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিধি মোতাবেক- সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে একই পরিবারের একজনের ডিলারশিপ বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত খুচরা বিক্রেতার আইডি কার্ড থাকলে, পরিবারের অন্য কেউ ডিলারশিপের জন্য আবেদন করতে বা বিক্রেতা হতে পারবেন না।

 

এক্ষেত্রে পরিবারের সদস্য পিতা-মাতা, স্বামী-স্ত্রী, পুত্র, পুত্রের স্ত্রী, নাতি ও তার স্ত্রী, অবিবাহিত কন্যা ও নির্ভরশীল ভাই-বোন যারা একসঙ্গে খাদ্য গ্রহণ করে তাদের মধ্য থেকে কেউ আবেদন করতে পারবেন না।

নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, বিউটি বেগম এবং তার স্বামী মোহাম্মদ আলম খন্দকারের নামে ভোলা জেলায় দুটি সারের লাইসেন্স রয়েছে। বিউটি বেগমের বাবা-মা এবং স্বামীসহ পরিবারের সবাই এখনো ভোলার স্থায়ী বাসিন্দা। অথচ তিনি তড়িঘরি করে ভোটার পরিবর্তন করে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার আলিমাবাদ ইউনিয়নে সারের ডিলারশিপ পেতে আবেদন করেন।

 

আবেদনপত্রে তিনি শুধু তথ্য গোপনই করেননি; বরং মেহেন্দিগঞ্জের আলিমাবাদের মেসার্স ভাই ভাই ট্রেডার্সের নামে সার ও কীটনাশকের ভুয়া ট্রেড লাইসেন্স তৈরি করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

সূত্র আরও জানিয়েছে, বিউটি বেগমের স্বামী মোহাম্মদ আলম খন্দকারের নামে ভোলার রাজাপুর ইউনিয়নে জনতা বাজারে খুচরা বিক্রেতা হিসেবে সারের সাব ডিলারশিপ রয়েছে। এ ছাড়া ভোলার মোল্লা বাজারে মেসার্স জাহাঙ্গীর ট্রেডার্স নামের আরেকটি সারের ডিলারশিপ পরিচালনা করছেন প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী বিউটি বেগম। যার লাইসেন্স নম্বর ৬১৭।

 

সূত্র জানায়, গত ১৪ আগস্ট সারের ডিলারশিপ নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করে কৃষি অধিদপ্তর। এর ছয় দিনের মাথায় ২০ আগস্ট নিজের ভোটার পরিবর্তন করে আনেন বিউটি বেগম। এরপর ২২ আগস্ট ট্রেড লাইসেন্স জমা দেন তিনি। অন্যদিকে, ২০২৫ সালের একটি নাগরিক সনদপত্র জমা দেন বিউটি।

 

তবে এসব অনিয়ম এবং নানা প্রশ্নের কিছুটা উত্তর মিলেছে অনুসন্ধানে। তড়িঘড়ি করে অল্প সময়ের মধ্যে বিউটি বেগমের ভোটার এলাকা পরিবর্তন, ভুয়া ট্রেড লাইসেন্স এবং ডিলারশিপ হাতিয়ে নেওয়ার নেপথ্যের কারিগর হিসেবে উঠে আসে তার দুলাভাই ইউপি সদস্য সবুজের নাম।

 

অভিযোগ উঠেছে, শ্যালিকার নামে ডিলারশিপ আনা হলেও মূলত ইউপি সদস্য সবুজ নিজেই পরিচালনা করবেন সারের ডিলারশিপ। এজন্য শ্যালিকার চারিত্রিক সনদও প্রদান করেছেন সবুজ। আর এমন অভিযোগ স্বীকারও করেছেন এই ইউপি সদস্য।

 

এ প্রসঙ্গে ১০ নম্বর আলিমাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইমরান হোসেন বলেন, বিউটি বেগম যেই ট্রেড লাইসেন্স দাখিল করেছেন সেটা তার নামে ইস্যু হয়নি। এটি অন্য ব্যক্তির নামে রয়েছে। বিউটি বেগমের নামে ট্রেড লাইসেন্সটি সম্পূর্ণ অবৈধভাবে তৈরি করা হয়েছে। তার ট্রেড লাইসেন্সের কোনো প্রমাণপত্র আমাদের ইউনিয়ন পরিষদে নেই।

 

মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা চন্দ্র শেখর বসু বলেন, ‘আমরা কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে নিয়মমাফিক বিউটি বেগমকে সারের ডিলারশিপের জন্য নাম পাঠিয়েছি। তবে তার কাগজপত্রে যদি কোনো ঘাটতি থাকে বা জাল-জালিয়াতির প্রমাণ থাকে তবে তা খতিয়ে দেখা হবে।’

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews