1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
বানারীপাড়ার ত্যাগী নেতা আব্দুস সালাম: এক জীবন্ত ইতিহাস - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । 01711073884

বানারীপাড়ার ত্যাগী নেতা আব্দুস সালাম: এক জীবন্ত ইতিহাস

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৭ জুলাই, ২০২৫
  • ২৩৫ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিউজ ডেস্ক।। 

রাজনৈতিক সংগ্রাম, কারাবরণ, নেতৃত্ব আর ত্যাগ—এই শব্দগুলো যেন একাকার হয়ে যায় আব্দুস সালাম নামের সঙ্গে। বানারীপাড়ার রাজনীতির ময়দানে বিএনপির এক নিবেদিতপ্রাণ, সাহসী ও পরীক্ষিত নেতার নাম তিনি। দুঃসময় হোক কিংবা আন্দোলনের উত্তাল দিন, সব সময় সম্মুখভাগে ছিলেন এই রাজনৈতিক যোদ্ধা।

বর্তমানে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সরকারের অব্যাহত দমন-পীড়নের কারণে দীর্ঘদিন ধরে বানারীপাড়া পৌর বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলন আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক বাধা উপেক্ষা করে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনের বিএনপির অভিভাবক এস শরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর নির্দেশে সম্মেলন আয়োজনের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন আব্দুস সালাম। তিনি বর্তমানে পৌর বিএনপির সভাপতি পদপ্রার্থী। বর্তমানে তিনি বরিশাল জেলা দক্ষিণ বিএনপির অন্যতম সদস্য ও বানারীপাড়া পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন। এবং তৃণমূল রাজনীতিতে সক্রিয় নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০২৫ সালের ১৫ থেকে ২০ জুলাইয়ের মধ্যে এই সম্মেলন সফলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে তিনি সর্বশেষ সময় পর্যন্ত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

১৯৮৭ সালে বানারীপাড়া ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে আব্দুস সালামের রাজনীতিতে আনুষ্ঠানিক অভিষেক ঘটে। এরপর উপজেলা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন ১৯৮৭ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত। দীর্ঘ এক যুগ ধরে (১৯৯৮-২০০৮) তিনি পৌর যুবদলের সভাপতি ও আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। একই সময়ে পৌর বিএনপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখেন।

২০১৭ সালের সম্মেলনের মাধ্যমে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদ অলঙ্কৃত করেন আব্দুস সালাম। সরকারের বিরুদ্ধে সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তিনি সম্মুখভাগে নেতৃত্ব দিয়েছেন সাহসিকতার সাথে। বিশেষ করে ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার বিরোধী গণআন্দোলনে অংশ নিয়ে তিনি দুইবার গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন। এমনকি ২০১৯ সালে নির্বাচনী মামলায় তিনি তৃতীয়বারের মতো দীর্ঘদিন কারাবরণ করেন।

শুধু রাজনীতি নয়, শিক্ষাক্ষেত্রেও তার অবদান অনস্বীকার্য। ২০০৬-২০০৮ সালে তিনি জাতীয় শ্রেষ্ঠ পুরস্কারপ্রাপ্ত বানারীপাড়া বন্দর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ছিলেন। এছাড়া বানারীপাড়া ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন (পাইলট) এর ২০০৮-১১ এবং ২০১৪-১৬ মেয়াদে পরিচালনা পর্ষদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১-১৪ ও ২০১৭-২০ মেয়াদে তিনবার বানারীপাড়া ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য নির্বাচিত হয়ে শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন ও মানোন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করেছেন।

সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তার সক্রিয়তা প্রশংসনীয়। তিনি বানারীপাড়া ব্লাড ব্যাংকের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে মানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে বানারীপাড়া বন্দর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে তিনি ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের স্বার্থ সংরক্ষণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

এক সময় তিনি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছেন।

আব্দুস সালাম শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং তিনি বানারীপাড়ার মানুষের কাছে এক নির্ভরতার নাম—ত্যাগ, সাহস ও মানবিক নেতৃত্বের প্রতীক। তার অভাব কখনো পূরণ হবার নয়। দলমত নির্বিশেষে সবাই তাকে মনে রাখবে একজন নির্ভীক যোদ্ধা হিসেবে, যিনি শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত দেশের রাজনীতি ও সমাজকল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করে গেছেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews