
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বরিশাল নগরীর নাজিরেরপুল এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। অভিযানে সামাজিক বন বিভাগ ও অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সদস্যরা অংশ নেন।
অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, বেশ কিছুদিন ধরে মাসুম ফেসবুকে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির পাখি বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি নজরে আসার পর অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সদস্যরা ক্রেতা সেজে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে সোমবার বিকেলে নাজিরেরপুল এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর পরিচালক আসাদুল্লাহ হাসান মুসা বলেন, ‘মাসুম দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাখি বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি জানার পর আমরা পাখি কেনার কথা বলে তার সঙ্গে যোগাযোগ করি। পরে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালিয়ে পাখিগুলো উদ্ধার করা হয়।’
অভিযান শেষে আটক মাসুমকে বরিশাল সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আজহারুল ইসলামের ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। একই সঙ্গে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
সামাজিক বন বিভাগের বরিশাল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পাখিগুলো বন্যপ্রাণী। এরা প্রকৃতিতে স্বাধীনভাবে বিচরণ করে। একটি চক্র এসব পাখি ধরে এনে অবৈধভাবে বিক্রি করছে, যা গুরুতর অপরাধ। অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সহযোগিতায় আমরা ১৪টি কালিম ও পাঁচটি জলময়ূর উদ্ধার করেছি।’
উদ্ধার হওয়া পাখিগুলো উপযুক্ত স্থানে অবমুক্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।