1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. thelabpoint2022@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
দশমিনায় চোখের পলকে বিলীন ২০ কবর - বাংলার কন্ঠস্বর ।। Banglar Konthosor
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।

দশমিনায় চোখের পলকে বিলীন ২০ কবর

  • প্রকাশিত : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১২ 0 বার সংবাদি দেখেছে
তেঁতুলিয়া নদীর তীব্র স্রোতে মুহূর্তের মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে পারিবারিক কবরস্থান, পাকা সড়ক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ফেলা জিওব্যাগ। হঠাৎ ভাঙন শুরু হওয়ায় ঘরবাড়ি থেকে মালামাল সরিয়ে নিচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অন্তত ২০টি কবর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার হাজিরহাট এলাকায় এ ভাঙন দেখা দেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাজিরহাট লঞ্চঘাটের পশ্চিম ও উত্তর পাশে হঠাৎ নদীর তীব্র স্রোতে ভাঙন শুরু হয়। প্রথমে নদীর তীরের মাটি ধসে পড়ে। এরপর একে একে পারিবারিক কবরস্থান, পাকা সড়কের বিভিন্ন অংশ ও সড়ক রক্ষায় পাউবো ফেলা জিওব্যাগ নদীগর্ভে চলে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা নিজামুদ্দিন বলেন, ‘চোখের সামনে একটি পারিবারিক কবরস্থানসহ অন্তত ২০টি কবর নদীতে চলে গেছে। আমরা ঘরবাড়ি থেকে মালামাল সরিয়ে নিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘এভাবে ভাঙন চলতে থাকলে পুরো হাজিরহাট এলাকা হুমকির মুখে পড়বে।’

ভাঙনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদ হাসান মৃধা ও দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুল ইসলাম। তারা ভাঙনকবলিত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন।

ইউএনও মো. মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, ‘পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে কথা বলে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। নদীর গতিপ্রকৃতি অত্যন্ত ভয়াবহ। ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে দ্রুত সাইক্লোন শেল্টার ও ইউনিয়ন পরিষদে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের খাবারের ব্যবস্থাও করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের জন্য পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, হাজিরহাট বাজার, মসজিদ, সড়ক ও বসতবাড়ি রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়তে পারে। তাদের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে নদীশাসন ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা প্রয়োজন।

তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙন অব্যাহত থাকলে হাজিরহাটের আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে চলে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ
Theme Customized By BreakingNews